পীরগাছার তালুক ইশাদ গ্রামে জমিজমাকে কেন্দ্র করে মান্নান গংদের হাতে মরহুম আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেনের যুবক পুত্র শেরে বাংলা ফজলুল হক (৩৭) কে অস্ত্র দ্বারা মাথায় গুরুত্বর জখম করে। রক্তাক্ত অবস্থায় আহত শেরে বাংলাকে চিকিৎসার জন্য পীরগাছা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে ন্যায় বিচার চেয়ে চিকিৎসাধীন শেরে বাংলা ফজলুল হক বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় একটি ইজাহার পুলিশের নিকট দাখিল করেন। পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনর বিষয়টি এস আই জুয়েলকে তদন্ত সহ উভয় পক্ষের চিকিৎসাধীন রোগীদের অবস্থা দেখার জন্য নির্দেশ প্রদান করলে এসআই জুয়েল হাসপাতালে এসে আহত বাংলা সহ সকলকে দেখেন। মারামারি চলাকালিন মোবাইলফোনে পীরগাছ থানা অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন অবগত হলে এলাকার শান্তিশৃক্সখলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে দ্রুতগতিতে পুলিশ প্রেরণ করেন। এ রিপোট লেখা পর্যন্ত শান্তি শৃক্সখলা ভালো বলে জানা গেছে।
০৮ মার্চ ২০১৭
২৩ আগস্ট ২০১৬
পীরগাছায় মরা গরুর মাংস বিক্রি। হাতেনাতে আটক কশাই ।
মরা গরুর মাংস বিক্রির দায়ে গত ২১শে আগষ্ট রবিবার সাতদরগা বাজারের প্রকাশ্যে গোস্ত বিক্রি করতে থাকে। লোকজনের সন্দেহ হলে মাংস বিক্রেতা কশাইয়ের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রতক্ষ্যদর্শী কয়েকজন যুবক চ্যালেঞ্জ করে। পরক্ষনে শতশত লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে জানাজানি হলে গোস্তগুলো কশাই এর দোকান থেকে জব্দ করার পর তরিঘরি করে মাটি খুরে পুতে রাখে। কশাইয়ের জরিমানা করা হয়েছে মরা গরুর মাংস বিক্রির দায়ে।
সাতদরগা বাজারে মরা গরুর মাংস দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করছে এক শ্রেণীর অসাদু কশাইরা। মাংস বিক্রি করার পূর্বে এবং জবাই করার পূর্বে সরকারিভাবে নিয়মনীতি থাকলেও করা হয়না রহস্যজনক করানে। সস্তার দুরঅবস্থা এই হলো আমাদের এলাকার পরিস্থিতি। কেউ বিক্রি করে ৪ শত ২০ টাকা কেজি আবার কেহ বিক্রি করে সন্ধার ৩ শত ২০ টাকা। রক্ষকই ভক্ষক যার ফলে কশাইয়ের মধ্যে গরুর মাংস বিক্রি শুধু ভেজাল নয়। সর্বক্ষেত্রেই দূর্ণিতি ছেয়ে গেছে। অর্থই হল অনার্থের মুল। যার ১ লক্ষ টাকা আছে সে ব্যক্তি চিন্তা করে আগামী দিনে আমার সংসারে ৫ লাখ টাকা তবিল করা যায়। সাতদরগার প্রবীন কশাই ম্জঃ রশঃ সহ আরো অনেকে দীর্ঘদিনধরে মরা গরুর মাংস বাহিরে জবাই করে ফ্রিজে জমা রেখে দিব্যি বিক্রি করছেন। আর এ মাংসগুলো খাচ্ছেন অনেক নেতা এবং সাধারন জনগন। আগামী সংখ্যায় ঐ ৩ জন সাতদরগার কশাইয়ের পূর্ণাঙ্গ নাম ঠিকানা লিখে দৈনিক পরিবেশে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে। মরা গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে সাতদরগা বাজারে এ বিষয়ে পীরগাছা উপজেলার বড় বড় গডফাদাররা অবগত। কে দূর্ণিতি করে না। এ ধরনের ব্যাক্তি আমাদের উপজেলা কতজন ভাগ্যবান ব্যাক্তি রয়েছে।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
সাতদরগা বাজারে মরা গরুর মাংস দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করছে এক শ্রেণীর অসাদু কশাইরা। মাংস বিক্রি করার পূর্বে এবং জবাই করার পূর্বে সরকারিভাবে নিয়মনীতি থাকলেও করা হয়না রহস্যজনক করানে। সস্তার দুরঅবস্থা এই হলো আমাদের এলাকার পরিস্থিতি। কেউ বিক্রি করে ৪ শত ২০ টাকা কেজি আবার কেহ বিক্রি করে সন্ধার ৩ শত ২০ টাকা। রক্ষকই ভক্ষক যার ফলে কশাইয়ের মধ্যে গরুর মাংস বিক্রি শুধু ভেজাল নয়। সর্বক্ষেত্রেই দূর্ণিতি ছেয়ে গেছে। অর্থই হল অনার্থের মুল। যার ১ লক্ষ টাকা আছে সে ব্যক্তি চিন্তা করে আগামী দিনে আমার সংসারে ৫ লাখ টাকা তবিল করা যায়। সাতদরগার প্রবীন কশাই ম্জঃ রশঃ সহ আরো অনেকে দীর্ঘদিনধরে মরা গরুর মাংস বাহিরে জবাই করে ফ্রিজে জমা রেখে দিব্যি বিক্রি করছেন। আর এ মাংসগুলো খাচ্ছেন অনেক নেতা এবং সাধারন জনগন। আগামী সংখ্যায় ঐ ৩ জন সাতদরগার কশাইয়ের পূর্ণাঙ্গ নাম ঠিকানা লিখে দৈনিক পরিবেশে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে। মরা গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে সাতদরগা বাজারে এ বিষয়ে পীরগাছা উপজেলার বড় বড় গডফাদাররা অবগত। কে দূর্ণিতি করে না। এ ধরনের ব্যাক্তি আমাদের উপজেলা কতজন ভাগ্যবান ব্যাক্তি রয়েছে।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
০৮ জুন ২০১৬
পীরগাছার ২ অপ্রাপ্ত ছেলে মেয়েকে নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে টানা হ্যাচড়া
পীরগাছার জুয়ান নামক গ্রামের জ্ঞানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী শাবানা আক্তার এবার ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী তথা জ্ঞানগঞ্জ সিনিয়র মাদরাসার ছাত্র মোঃ হাফিজার রহমানকে ফেসে ফেলে ভালোবাসার অভিনয়ের মাধ্যমে। সম্প্রতি ৭ই মে রাতে অসহায় হাফিজারকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দেয়। জনমনে প্রশ্ন হাফিজার যেহেতু ১২-১৩ বছরের ছেলে জন্ম নিবন্ধন ছাওলা ইউনিয়ন পরিষদ সুত্রে জানা গেছে জন্ম তারিখ ২১/০৬/২০০৩ ইং। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ইউনিয়ন পরিষদ সুত্রে শাবানার জন্ম নিবন্ধন তারিখ ০১/০২/২০০০ ইং। শাবানা আক্তার একজন নিয়মিত জ্ঞান গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত ছাত্রী। উভয়েরই বয়স নিবন্ধন সুত্রে অপ্রাপ্ত বলে জানা গেছে।
এদিকে হাফিজার বাড়িতে নেই কোথায় গেছে বাড়িতে পুলিশ আসে। এ বিষযে হাফিজারের দাদি তথা বাহাদুর মেম্বারের মা জফফুল বেওয়া নাতীকে কাছে না পেয়ে কাতর হয়ে পাড়া প্রতিবেশীদের নিকট এবং তাহার ছেলের নিকট হাফিজারকে খুজে বের করার জন্য দাবী জানান। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, একমাত্র নাতীকে বাড়িতে না পেয়ে দাদী অসুস্থ হয়ে পরে। এক পর্যায়ে নাতীর শোকে ১৯/০৫/২০১৬ ইং তারিখে মৃত্যু ঘটে। এ বিষয়টি নিয়ে এলাকায় গিয়ে জানা যায় হাফিজারের শোকে দাদীর অকালমৃত্যু। এ ঘটনাকে ঘিরে অত্র ছাওলা ইউনিয়নের জুয়ান নামক গ্রামে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় চলছে। জনমনে প্রশ্ন হাফিজারের বয়স যেহেতু অপ্রাপ্ত অপরদিকে মাদরাসা পড়–য়া ৬ষ্ঠ শ্রেণীর অধ্যায়নরত ছাত্র। এছাড়াও জুয়ান গ্রামের ছামছুল হকের মেয়ে জ্ঞানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর স্কুল পড়–য়া মেয়ে মোছাঃ শাবানা আক্তার আইনগত ভাবে নাবালিকা। তাদের পরস্পরের মধ্যে সিনেমা স্টাইলের ভালোবাসার ঘটনাটি যেহেতু কোন পরিচালক নেই সেই মর্মে উভয় পরিবারের মধ্যে সামাজিকভাবে শান্তি ফিরিয়ে আনাতে গ্রামের মহৎ ব্যাক্তি চেয়ারম্যান মেম্বারদের মাধ্যমে নিস্পত্তি করার আশু প্রয়োজন। আগামী সংখ্যায় ২ ছাত্র ছাত্রীর নেপথ্য কাহিনী ধারাবাহিকভাবে প্রশাসনের শুভ নেক দৃষ্টি কামনা করে দৈনিক পরিবেশে প্রকাশ করা হবে।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
এদিকে হাফিজার বাড়িতে নেই কোথায় গেছে বাড়িতে পুলিশ আসে। এ বিষযে হাফিজারের দাদি তথা বাহাদুর মেম্বারের মা জফফুল বেওয়া নাতীকে কাছে না পেয়ে কাতর হয়ে পাড়া প্রতিবেশীদের নিকট এবং তাহার ছেলের নিকট হাফিজারকে খুজে বের করার জন্য দাবী জানান। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, একমাত্র নাতীকে বাড়িতে না পেয়ে দাদী অসুস্থ হয়ে পরে। এক পর্যায়ে নাতীর শোকে ১৯/০৫/২০১৬ ইং তারিখে মৃত্যু ঘটে। এ বিষয়টি নিয়ে এলাকায় গিয়ে জানা যায় হাফিজারের শোকে দাদীর অকালমৃত্যু। এ ঘটনাকে ঘিরে অত্র ছাওলা ইউনিয়নের জুয়ান নামক গ্রামে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় চলছে। জনমনে প্রশ্ন হাফিজারের বয়স যেহেতু অপ্রাপ্ত অপরদিকে মাদরাসা পড়–য়া ৬ষ্ঠ শ্রেণীর অধ্যায়নরত ছাত্র। এছাড়াও জুয়ান গ্রামের ছামছুল হকের মেয়ে জ্ঞানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর স্কুল পড়–য়া মেয়ে মোছাঃ শাবানা আক্তার আইনগত ভাবে নাবালিকা। তাদের পরস্পরের মধ্যে সিনেমা স্টাইলের ভালোবাসার ঘটনাটি যেহেতু কোন পরিচালক নেই সেই মর্মে উভয় পরিবারের মধ্যে সামাজিকভাবে শান্তি ফিরিয়ে আনাতে গ্রামের মহৎ ব্যাক্তি চেয়ারম্যান মেম্বারদের মাধ্যমে নিস্পত্তি করার আশু প্রয়োজন। আগামী সংখ্যায় ২ ছাত্র ছাত্রীর নেপথ্য কাহিনী ধারাবাহিকভাবে প্রশাসনের শুভ নেক দৃষ্টি কামনা করে দৈনিক পরিবেশে প্রকাশ করা হবে।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
৩০ মে ২০১৬
পীরগাছায় স্ত্রীর পরকিয়ায় নাটকিয় মামলা, সাংবাদিক সহ গ্রেফতার ৩
পীরগাছা উপজেলার কান্দি ইউনিয়নে গলা কেটে যুবক হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রেমিকের পরিবার মামলাটিকে ভিন্নখাতে নেয়ার কৌশল হিসেবে নিহতের স্ত্রী শিল্পী বেগমকে বাদী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এইদিকে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেই সূত্র ধরে পর দিন আব্দুল জব্বার ও নিহতের স্ত্রীর পরকিয়া প্রেমিক জীবন মিয়াকে আটক করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে থানা হাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পীরগাছা থানার অফিসার ইন্চাজ আমিনুল ইসলাম জানান।
এঘটনায় পুলিশ নিহতের আপন ভগ্নিপতি ডেইলি নিউ নেশন পত্রিকা ও সাবেক ‘দৈনিক প্রথম আলো’পত্রিকার প্রতিনিধি মকবুল হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠান।
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের মনিরামপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলাম মাষ্টারের ছেলে রাসেল মিয়া (২৮) দীর্ঘ দিন ধরে সব ধরনের মাদক সেবন সহ অপরাধ জগতের সাথে জড়িত। এছাড়াও সে জাল ডলার ব্যবসায়ী চক্রের সাথে জড়িত হয়ে অন্ধকার জগতে জড়িয়ে পড়ে। এই কারনে প্রায় রাতে রাসেলের বাড়িতে অপরিচিত লোকজনের যাতায়াত রয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। এছাড়াও মাঝে মধ্যে তার বাড়িতে নেশার জগতের লোকজন নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত মাদকের আসর বসত। এনিয়ে একই বাড়িতে বসবাসরত ভগ্নিপতি সাংবাদিক মকবুল হোসেন ও শ্যালক রাসেলের সাথে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি পারিবারিক বিরোধে রুপ নিলে একে অপরের ঘরে যাতায়াত বন্ধ করে দেয়।
এই দিকে নেশার জগতের সন্ত্রাসী নারী লোভী জীবন মিয়া নামের এক যুবক যাতায়াতের মাঝে রাসেল মিয়ার স্ত্রী শিল্পী বেগম এর উপর কুনজর পড়লে এক সময় জীবন মিয়ার সাথে শিল্পী বেগম পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনা প্রকাশ পেলে মাঝে মধ্যে নিহত রাসেলের মায়ের সাথে পুত্র বধুর ঝগড়া হয় বলে এলাকা বাসি জানায়। এই ব্যাপারে রাসেলের মা ...............র সহিত কথা বললে তিনি জানান ঘটনার চারদিন পূর্বে গভীর রাতে রাসেল বাড়িতে না থাকার সুযোগে পুত্র বধুর প্রেমিক জীবন মিয়া শিল্পী বেগমের ঘরে ঢুকলে শ্বশুড়ী হাতে নাতে ধরে ফেলে। এই ঘটনায় পুত্রবধু শ্বাশুড়ীর মাঝে ঝগড়া বাঁধলে এলাকার লোকজন জানা জানি হয়।
অপর দিকে ঘটনার পর দিন শনিবার সকালে নিহত রাসেলের স্ত্রী শিল্পী বেগম প্রতিবেশিদের জানায় গভীর রাতে তার
স্বামীর কয়েক জন বন্ধু বাড়িতে এসে তাদেরকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে জরুরী কথা আছে বলে রাসেলকে বাইরে নিয়ে যায়। এরপর অপরিচিত ৩-৪ জন তার শয়ন কক্ষে ঢুকে তাকে জোর পূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা চলালে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এতে তার জামা-কাপড় ছিঁড়ে যায়। এক পর্যায়ে অপরিচিতরা তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়।
এইদিকে বাড়িতে বসবাসকারী নিহত রাসেলের বড় বোন রুনা লায়লা জানান, তার ছোট ভাই রাতে নিখোঁজের খবর সকালে শিল্পী বেগমের মুখে শোনার পর নিহত রাসেলের সন্ধান করতে থাকলে লোক মুখে শুনতে পান বাড়ির পার্শ্বে আবাদী জমিতে তার ছোট ভাইয়ের গলা কাটা লাশ পড়ে আছে। পরবর্তিতে পীরগাছা থানা খবর পেয়ে লাশ উর্দ্ধার করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করেন। এব্যাপারে নিহতের বড়বোন রুনা লায়লা অভিযোগ করে বলেন তিনি ও তার মা প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করতে চাইলেও দিনভর নানা নাটকীয়তা চলে। পরবর্তিতে রাসেলের স্ত্রী শিল্পী বেগম প্রেমিকের পরিবারের কথামত নিজে বাদী হয়ে ধর্ষন চেষ্টার প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে একটি সাজানো মামলা দায়ের করে। এইদিকে নিরুপায় নিহতের মাতা ও তার বড়বোন সংশ্লিষ্ট আইন রক্ষাকারী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনায় সঠিক তদন্তের দাবী করেছেন।
রিপোর্টারঃ কাজী শহীদুল ইসলাম, মোবাঃ-০১৭১৬-৯৩৪২০০
১০ মে ২০১৬
পীরগাছার ইটাকুমারীতে বর্তমান চেয়ারম্যান ভোট পেলেন মাত্র ১৬৪
৩নং ইটাকুমারী ইউনিয়নের এরশাদের লাঙ্গল নিয়ে নির্বাচন করেন আব্দুল কাদের প্রধান। ইটাকুমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী ৫ হাজার ৬ শত ৪৭ ভোট পেয়ে সরকারিভাবে নির্বাচিত হন।
নৌকা মার্কার প্রার্থী ইটাকুমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম ৪ হাজার ১শ ৭৪ ভোট পেয়ে পরাজয় বরন করেন।
বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক ধানের শীষ মার্কা ৩ হাজার ৮শ ৮৮ ভোট পেয়ে পরাজয় বরন করেন।
ওয়ার্কাস পার্টী হাতুরী মার্কা ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী কালীগঞ্জ বাজারের মোঃ ওয়াদুদ ভূইয়া ৩শ ৩১ ভোট পেয়ে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
ইসলামী আন্দলন বাংলাদেশ মনোনিত হাতপাখা মার্কা প্রার্থী ৪শ ৪৭ ভোট পেয়ে নিজের দলের কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
বর্তমান ইটাকুমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিদুল হক ঘোড়া মার্কার বিদ্রোহী প্রার্থী ১শ ৬৪ ভোট পেয়ে আবারো চেয়ারম্যান হবার স্বপ্ন তার চুরমার হয়ে যায়।
মোঃ আদম আলী চোশমা মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাটা কেষ্ট ৬শ ৫৫ পেয়ে ব্যপক আলচিত হন।
বর্তমান চেয়ারম্যান জসিদুল হকের শিক্ষিত পুত্র স্বতন্ত্র আনারশ মার্কার প্রার্থী মাত্র ১৩ ভোট পেয়ে বাপ ব্যাটাকে নিয়ে অত্র ইউনিয়নবাসী ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি করেন। জনগন সকল ক্ষমতার উৎস তাই এই পরিণতি জসিদুল চেয়ারম্যানের পরিবারের মধ্যে।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
নৌকা মার্কার প্রার্থী ইটাকুমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম ৪ হাজার ১শ ৭৪ ভোট পেয়ে পরাজয় বরন করেন।
বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক ধানের শীষ মার্কা ৩ হাজার ৮শ ৮৮ ভোট পেয়ে পরাজয় বরন করেন।
ওয়ার্কাস পার্টী হাতুরী মার্কা ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী কালীগঞ্জ বাজারের মোঃ ওয়াদুদ ভূইয়া ৩শ ৩১ ভোট পেয়ে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
ইসলামী আন্দলন বাংলাদেশ মনোনিত হাতপাখা মার্কা প্রার্থী ৪শ ৪৭ ভোট পেয়ে নিজের দলের কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
বর্তমান ইটাকুমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিদুল হক ঘোড়া মার্কার বিদ্রোহী প্রার্থী ১শ ৬৪ ভোট পেয়ে আবারো চেয়ারম্যান হবার স্বপ্ন তার চুরমার হয়ে যায়।
মোঃ আদম আলী চোশমা মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাটা কেষ্ট ৬শ ৫৫ পেয়ে ব্যপক আলচিত হন।
বর্তমান চেয়ারম্যান জসিদুল হকের শিক্ষিত পুত্র স্বতন্ত্র আনারশ মার্কার প্রার্থী মাত্র ১৩ ভোট পেয়ে বাপ ব্যাটাকে নিয়ে অত্র ইউনিয়নবাসী ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি করেন। জনগন সকল ক্ষমতার উৎস তাই এই পরিণতি জসিদুল চেয়ারম্যানের পরিবারের মধ্যে।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
০৩ মে ২০১৬
পীরগাছা ইউনিয়নের ৩টি ভোট কেন্দ্রে শান্তিভঙ্গের আশংকা
আগামী ৭ই মে নির্বাচন চলাকালীন সহিংসতা হতে পারে বলে ভোটারদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তন্মধ্যে জমানবিশ বালিকা দাখিল মাদরাসা নামক সেন্টারে প্রভাবশালী দুই প্রার্থীর মধ্যে সহিংশতার ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করেন শান্তিপ্রিয় ইউনিয়নের মানুষগুলো।
নগরজীৎপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট চলাকালনি চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে শান্তিভঙ্গের আশংকা রয়েছে। এ কেন্দ্রে পুলিশ প্রশাসন সহ দায়িত্বে নিয়োজিত মেজিষ্ট্রেডকে কঠোরভাবে নজর রাখতে হবে।
অপরদিকে তালুক ঈষাদ ফকির টারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে ভোট চলাকালনি অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন অত্র এলাকার শান্তিপ্রিয় জনগন। এ ভোট কেন্দ্রে আইন শৃক্সখলা বাহিনি সার্বিক দায়িত্ব পালন করলে কোন প্রকারের অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটবেনা বলে মনে করেন অত্র এলাকার ভোটারগন।
আওয়ামীলীগের তথা বিভিন্ন প্রাথীদের আলোচনা সভায় জমানবিশ বালিকা দাখিল মাদরাসা ভোট কেন্দ্রটিকে ঘিরে বক্তাগন বিরুপ মন্তব্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন এই জমানবিশ কেন্দ্রটি যেহেতু দুই নেতার ভোট কেন্দ্র। প্রশাসনকে কঠোরভাবে নজর রাখার পাশাপাশি ভ্রাম্যমান মেজিষ্ট্রেড টিম রাখার দাবি জানান সর্বস্তরের শান্তিপ্রিয় জনগন।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
২৭ এপ্রিল ২০১৬
পীরগাছায় ছাত্রীকে ইভটিজিং এর দায়ে জেল ও জরিমানা
ইভটিজিং এর দায়ে পীরগাছা ভ্রাম্যমান আদলতের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট মোছাঃ আলীয়া ফেরদৌস জাহান ৪৩ বছরের মমতাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে জেল জরিমানা করেন। বড়দরগা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী মণিষা আক্তারকে উক্ত মমতাজ উদ্দিন রাস্তার মধ্যে ইভটিজিং করার দায়ে তাকে আটক করে জনগন। উল্লেখ্য যে, মণিষা তার বান্ধুবি সহ কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় ইভটিজিং এর স্বীকার হন। অতপর জনগন উত্তেজিত হয়ে মনতাজকে তার মটোরসাইকেল সহ আটক করে উত্তম মাধ্যম কিল ঘুষি মারে।
পুলিশ খবর পেয়ে রাতেই তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম ইভটিজিং এর মামলাটি এস আই শরিফুলের উপর দায়িত্ব ভার অর্পন করেন। পুলিশ কর্মকর্তা মামলাটি ভ্রাম্যমান আদালতে প্রেরণ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট ইভটিজিং এর স্বীকার মনিষার জবানবন্দি সহ আসামী সাব কন্টাকটার মমতাজ উদ্দিনের জবানবন্দী সহ সাক্ষীর জবানবন্দী শোনার পর ১৫ দিনের জেল অনাদায়ে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। মমতাজ উদ্দিন একজন সাব কন্ডোকটার বলে ভ্রাম্যমান আদালতের মেজিষ্টেটকে জানান। আদালত চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাকিম সর্দার, কল্যাণী ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান নূর আলমসহ নব্দীগঞ্জ এলাকার জনগন। মমতাজ উদ্দিন ছাত্রীদের উত্যাক্ত করার বিষয়টি এবং এই বয়সে জনগনের গনধোলই স্বীকারের বিষয়টি নব্দীগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
২৬ এপ্রিল ২০১৬
পীরগাছা কৃষি অফিসের দুই কর্মকর্তার মধ্যে মারামারি
উপজেলা পরিষদ চত্তরে রফিকুলের চায়ের দোকানের সামনে পীরগাছা কৃষি অফিসের ২জন উপসহকারী কর্মকর্তার মধ্যে ঘুষাঘুষি ঘটনা ঘটে। উপস্থিত শতশত জনগন তাদের অপ্রিতীকর ঘটনা দেখে ধিক্কার দেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২জনকে আটক করেন। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আফসার আলী রফাদফা করবেন বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেন।
উপসহকারি কর্মকর্তা দুজন হচ্ছেন আব্দুল হান্নান (বিএস) ও উপসহকারী কর্মকর্ত তৈয়ব। গত ২৬শে এপ্রিল মঙ্গলবার ২জনেই অফিসের দোতালা থেকে সিরি দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে শরীরের মধ্যে ধাক্কা লাগে। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বন্ধুর মধ্যে অফিসেই অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটে। বিষয়টি মিমাংশার জন্য তারা নিচে আসে পরিষদ চত্তরে। রফিকুলের চায়ের দোকানের সামনে আবারো একে অপরকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। দুজনই রক্তাক্ত হলে উপস্থিত জনগন দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিন্দা জ্ঞাপন করেন তাদের আচরনে। দুজনই পাশাপাশি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাল্যকাল থেকেই এরা একে অপরের বন্ধু। উপসহকারী কর্মকর্তাদের চাকুরির নেপথ্য কাহিনি আগামী সংখ্যায় ধারাবাহিক ভাবে দৈনিক পরিবেশে ফলোআপ আকারে প্রকাশ করবেন সাংবাদি মুন্সি। অধিকাংশ উপসহকারী কর্মকর্তা যুগ যুগ ধরে একই থানায় রহস্যজনকভাবে ক্ষমতার দাপটে চাকুরী করার কারনে চাকুরী নীতি মানছেন না। যার ফলে অপ্রিতিকর ঘটনা ভিতরে ও বাইরে জনগনের নিকট প্রকাশ পাচ্ছে।
১৬ মার্চ ২০১৬
পীরগাছা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে দিনব্যাপী কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত
আর.ডি.আর.এস বাংলাদেশ অগ্রণী (মানুষের জন্য) প্রকল্প এর উদ্যগে গত ১৪ই মার্চ সোমবার পীরগাছা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে দিনব্যাপি কৃষিমেলার আয়োজন করা হয়। কৃষি মেলা চলাকালীন বিভিন্ন ইউনিয়নের কমিউনিটি গ্রুপ সদস্য মেলায় অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে পুরুষ্কার বিতরন করা হয়। মেলা উদ্ভোধনের পর থেকে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের সরকারি প্রজেক্টের মাধ্যমে কৃষি পণ্যের উপর দিনব্যাপি ভ্রাম্যমান চলচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান রেজা ৭নং পীরগাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উক্ত মেলায় ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ উদ্ভোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আর.ডি.আর.এস বাংলাদেশ অগ্রণী মানুষের জন্য প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ এনায়েতুল্লাহ, পীরগাছা উপজেলা আর.ডি.আর.এস বাংলাদেশ মাঠ সমন্বয়কারী মোঃ একেএম মাহফুজ আলম। আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ফরামের সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা ফরাম এর সদস্য প্রভাষক জাহিদুল হাসান প্রমুখ।
দিনব্যাপি মেলা কর্যক্রম চলার পর বিকাল ৫টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে মেলায় অংশগ্রহনকারী ষ্টলদের মধ্যে পুরুষ্কার বিতরন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান রেজা, প্রবীন ব্যবসায়ী বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব আবু তাহের সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ পুরুষ্কার বিতরন করেন। উপজেলা ফরামের উপদেষ্টা সাংবাদিক তোজাম্মেল হক মুন্সির সভাপতিত্বে অতিথিবৃন্দ মেলার কর্যক্রমের বিষয়ে এবং আর.ডি.আর.এস বাংলাদেশ অগ্রণী মানুষের জন্য প্রকল্পের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
লোকাল কমিউনিটি এজেন্ট হরুন অর রশিদ, রেজাউল করিম, মোশারফ হোসেন, মোছাঃ শামীমা বেগম, মোছাঃ খাদিজা বেগম উপস্থিত ছিলেন। আগামীতে আর.ডি.আর.এস বাংলাদেশ এনজিও সংস্থা কৃষি মেলা যথাযথভাবে আয়োজন করা হবে মর্মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বক্তব্যে অবগত করেন।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান রেজা ৭নং পীরগাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উক্ত মেলায় ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ উদ্ভোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আর.ডি.আর.এস বাংলাদেশ অগ্রণী মানুষের জন্য প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ এনায়েতুল্লাহ, পীরগাছা উপজেলা আর.ডি.আর.এস বাংলাদেশ মাঠ সমন্বয়কারী মোঃ একেএম মাহফুজ আলম। আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ফরামের সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা ফরাম এর সদস্য প্রভাষক জাহিদুল হাসান প্রমুখ।
দিনব্যাপি মেলা কর্যক্রম চলার পর বিকাল ৫টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে মেলায় অংশগ্রহনকারী ষ্টলদের মধ্যে পুরুষ্কার বিতরন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান রেজা, প্রবীন ব্যবসায়ী বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব আবু তাহের সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ পুরুষ্কার বিতরন করেন। উপজেলা ফরামের উপদেষ্টা সাংবাদিক তোজাম্মেল হক মুন্সির সভাপতিত্বে অতিথিবৃন্দ মেলার কর্যক্রমের বিষয়ে এবং আর.ডি.আর.এস বাংলাদেশ অগ্রণী মানুষের জন্য প্রকল্পের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
লোকাল কমিউনিটি এজেন্ট হরুন অর রশিদ, রেজাউল করিম, মোশারফ হোসেন, মোছাঃ শামীমা বেগম, মোছাঃ খাদিজা বেগম উপস্থিত ছিলেন। আগামীতে আর.ডি.আর.এস বাংলাদেশ এনজিও সংস্থা কৃষি মেলা যথাযথভাবে আয়োজন করা হবে মর্মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বক্তব্যে অবগত করেন।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
১৭ ডিসেম্বর ২০১৫
পীরগাছার কাউনিয়ায় কুনিও হত্যায় জড়িত তিনজনই জেএমবির
রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত তিনজনকে শনাক্তের দাবি করেছে পুলিশ। তাঁরা নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য। তিনজনই পুলিশি হেফাজতে আছেন। এর মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হুমায়ুন কবীর এসব তথ্য জানান। কুনিও হত্যাকাণ্ড ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে এই প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলো জেএমবির কাজ বলে জানান ডিআইজি।
ডিআইজি বলেন, কুনিও হোশিকে গুলি করেন রংপুরের পীরগাছা-কাউনিয়া অঞ্চলে জেএমবির কমান্ডার মাসুদ রানা (৩৩)। অস্ত্র সরবরাহ করেন জেএমবির আরেক কমান্ডার ইছহাক আলী (৩২)। সঙ্গে ছিলেন পীরগাছার এহসার সদস্য খয়বর হোসেন (৩৪)। তাঁদের সবার বাড়ি পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের পশুয়া টাঙ্গাইল ও হাতিবান্ধা গ্রামে।
ডিআইজি হুমায়ুন কবীর বলেন, ইছহাক গত সোমবার সন্ধ্যার পর দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি জেএমবির অস্ত্রের জিম্মাদার। কুনিও হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলটি তাঁর কাছ থেকে নেন মাসুদ। মাসুদ ও খয়বরের সঙ্গে তিনি মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে যান। এরপর কুনিওকে গুলি করেন মাসুদ। ডিআইজি বলেন, ইছহাক জানিয়েছেন, তিনি ২০০৬ সালে ইরাকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
ডিআইজি বলেন, গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী জেএমবি। গ্রেপ্তার হওয়া মাসুদ এর আগে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে কুনিও হত্যা, কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলীকে হত্যা ও বাহাই সম্প্রদায়ের নেতা রুহুল আমিনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে তিনটি মোটরসাইকেল, একটি পিস্তল, একটি এসএমজি, একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মাসুদকে ৩ ডিসেম্বর পীরগাছা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে ৭ ডিসেম্বর খয়বরকে ও ৮ ডিসেম্বর ইছহাককে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিআইজি বলেন, রংপুর ও দিনাজপুরে বিভিন্ন জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বীকারোক্তি ও তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার জন্য জেএমবি এসব ঘটনা ঘটায়। তবে হামলার পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা, উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিআইজি কোনো মন্তব্য করেননি।
গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুরে কমপক্ষে আটটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ৩ অক্টোবর কুনিওকে হত্যার পরপর পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন কুনিওর ব্যবসায়িক সহযোগী হুমায়ুন কবির ওরফে হিরা, রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য রাশেদ-উন-নবী খান ওরফে বিপ্লব, মহানগর যুবদলের সদস্য রাজীব হাসান ওরফে মেরিল সুমন, শহরের জুম্মাপাড়ার নওশাদ হোসেন ওরফে ব্ল্যাক রুবেল ও শালবন মিস্ত্রিপাড়ার কাজল চন্দ্র বর্মণ ওরফে ভরসা কাজল। তবে পুলিশ এখন বলছে, জেএমবি ওই হামলার জন্য দায়ী।
এ পরিপ্রেক্ষিতে আগে গ্রেপ্তার দেখানো পাঁচজনের কী হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, আগের ঘটনাবলি ও নানা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এখন পর্যন্ত তাঁদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পুরোপুরি তদন্তের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোর্সঃ ওয়েব
গতকাল মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হুমায়ুন কবীর এসব তথ্য জানান। কুনিও হত্যাকাণ্ড ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে এই প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলো জেএমবির কাজ বলে জানান ডিআইজি।
ডিআইজি বলেন, কুনিও হোশিকে গুলি করেন রংপুরের পীরগাছা-কাউনিয়া অঞ্চলে জেএমবির কমান্ডার মাসুদ রানা (৩৩)। অস্ত্র সরবরাহ করেন জেএমবির আরেক কমান্ডার ইছহাক আলী (৩২)। সঙ্গে ছিলেন পীরগাছার এহসার সদস্য খয়বর হোসেন (৩৪)। তাঁদের সবার বাড়ি পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের পশুয়া টাঙ্গাইল ও হাতিবান্ধা গ্রামে।
ডিআইজি হুমায়ুন কবীর বলেন, ইছহাক গত সোমবার সন্ধ্যার পর দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি জেএমবির অস্ত্রের জিম্মাদার। কুনিও হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলটি তাঁর কাছ থেকে নেন মাসুদ। মাসুদ ও খয়বরের সঙ্গে তিনি মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে যান। এরপর কুনিওকে গুলি করেন মাসুদ। ডিআইজি বলেন, ইছহাক জানিয়েছেন, তিনি ২০০৬ সালে ইরাকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
ডিআইজি বলেন, গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী জেএমবি। গ্রেপ্তার হওয়া মাসুদ এর আগে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে কুনিও হত্যা, কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলীকে হত্যা ও বাহাই সম্প্রদায়ের নেতা রুহুল আমিনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে তিনটি মোটরসাইকেল, একটি পিস্তল, একটি এসএমজি, একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মাসুদকে ৩ ডিসেম্বর পীরগাছা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে ৭ ডিসেম্বর খয়বরকে ও ৮ ডিসেম্বর ইছহাককে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিআইজি বলেন, রংপুর ও দিনাজপুরে বিভিন্ন জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বীকারোক্তি ও তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার জন্য জেএমবি এসব ঘটনা ঘটায়। তবে হামলার পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা, উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিআইজি কোনো মন্তব্য করেননি।
গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুরে কমপক্ষে আটটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ৩ অক্টোবর কুনিওকে হত্যার পরপর পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন কুনিওর ব্যবসায়িক সহযোগী হুমায়ুন কবির ওরফে হিরা, রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য রাশেদ-উন-নবী খান ওরফে বিপ্লব, মহানগর যুবদলের সদস্য রাজীব হাসান ওরফে মেরিল সুমন, শহরের জুম্মাপাড়ার নওশাদ হোসেন ওরফে ব্ল্যাক রুবেল ও শালবন মিস্ত্রিপাড়ার কাজল চন্দ্র বর্মণ ওরফে ভরসা কাজল। তবে পুলিশ এখন বলছে, জেএমবি ওই হামলার জন্য দায়ী।
এ পরিপ্রেক্ষিতে আগে গ্রেপ্তার দেখানো পাঁচজনের কী হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, আগের ঘটনাবলি ও নানা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এখন পর্যন্ত তাঁদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পুরোপুরি তদন্তের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোর্সঃ ওয়েব
১৬ ডিসেম্বর ২০১৫
পীরগাছা রেল ষ্টেশনের কাপড় বিক্রেতাদের প্রতি অমানবিক আচরন
পুরাতন (ফাটা কম্পানির) কাপড় বিক্রি করে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ জন দরিদ্র মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছেন কয়েকবছর ধরে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য উক্ত ফাটা কম্পানির কাপড়গুলো বিক্রি করে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের পরিত্যাক্ত রেলের জমিতে। সম্প্রতি সময়ে রেলের বড় অফিসার আসবে বিধায় পীরগাছা রেল ষ্টেশন মাষ্টার উক্ত ফাটা কম্পানির শীত বস্ত্র বিক্রেতাদের অস্থায়ী দোকানগুলো সরানোর জন্য তাগীদ দেয়।
পীরগাছা ষ্টেশন মাষ্টারের কথা মতই উক্ত হতভাগারা তাদের অস্থায়ী দোকানের চালাগুলো সরিয়ে ফেলে। খোলা আকাশের নিচে বেচারারা ব্যবসা করছে এবং তাদের ক্রয়কৃত নতুন পুরাতন শীতবস্ত্রগুলো রোদে পুরে সন্ধার পর শীতে ভ্যাপসা ভ্যাপসা গন্ধ ছুটছে। খোলা আকাশের নিচে কাপড়ের শীতের কাপড়গুলো থাকার ফলে শীতবস্ত্র কিনতে আসা কাষ্টকামগন কাপড়গুলো ভেজা দেখে খরিদ করতে নারাজ। দোকানদারদের ব্যবসা ঠিকভাবে না হওয়ায় অপরদিকে খোলা আকাশের নিচে শীতের মধ্যে কাপড় খরিদ করতে খরিদদারগন না আসায় জীবিকা নির্বাহ করতে মারাত্মকভাবে হিমসিম খেতে হচ্ছে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদেরকে।
অর্থের অভাবে অনেক পরিবারের অভিভাবকগন সংসার চালাতে মারাত্মকভাবে হিমসিমে পড়ছেন। মানবিক কারনে পীরগাছা রেল ষ্টেশনে ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদের প্রতি সহানুভূতী দেখানো আশু প্রয়োজন রেল কর্তৃপক্ষের। আমাদের দেশের আওয়ামীলীগ সরকার সবসময় গরীবদের অগ্রাধীকার দিয়ে আসছেন। বড়ই পরিতাপের বিষয় পীরগাছা রেলষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের দোষ কি? অপরদিকে তাদের অপরাধ কি? তাদের পেটে লাথি মারা ব্যাতিত অন্য কিছু না।
অবিশ্বস্য হলেও সত্য যে, ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ৩শ গজের মধ্যে তথা পীরগাছা প্রেস ক্লাবের পূর্বে এক সময় শিয়ালের অবাধ বিচরন সহ কুকুর ও গরু ছাগল এর পায়খানায় ষ্টেশনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত করত। ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে ষ্টেশনের পরিবেশ বিশেষকরে শতশত মানুষের পাশাপাশি হাজারো দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলো পীরগাছা রেল ষ্টেশন থেকে স্বল্প মূলে বিভিন্ন রংবেরঙ্গের শীতবস্ত্র ক্রয় করত। ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের পাশে এসে দাড়ানোর জন্য পীরগাছা বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা, পীরগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতিরি সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লা আল মামুদ মিলন সহ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফছার আলী, পীরগাছা ৭নং ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তাফিজার রহমান রেজার শুভ নেক দৃষ্টি আশু প্রয়োজন।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
পীরগাছা ষ্টেশন মাষ্টারের কথা মতই উক্ত হতভাগারা তাদের অস্থায়ী দোকানের চালাগুলো সরিয়ে ফেলে। খোলা আকাশের নিচে বেচারারা ব্যবসা করছে এবং তাদের ক্রয়কৃত নতুন পুরাতন শীতবস্ত্রগুলো রোদে পুরে সন্ধার পর শীতে ভ্যাপসা ভ্যাপসা গন্ধ ছুটছে। খোলা আকাশের নিচে কাপড়ের শীতের কাপড়গুলো থাকার ফলে শীতবস্ত্র কিনতে আসা কাষ্টকামগন কাপড়গুলো ভেজা দেখে খরিদ করতে নারাজ। দোকানদারদের ব্যবসা ঠিকভাবে না হওয়ায় অপরদিকে খোলা আকাশের নিচে শীতের মধ্যে কাপড় খরিদ করতে খরিদদারগন না আসায় জীবিকা নির্বাহ করতে মারাত্মকভাবে হিমসিম খেতে হচ্ছে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদেরকে।
অর্থের অভাবে অনেক পরিবারের অভিভাবকগন সংসার চালাতে মারাত্মকভাবে হিমসিমে পড়ছেন। মানবিক কারনে পীরগাছা রেল ষ্টেশনে ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদের প্রতি সহানুভূতী দেখানো আশু প্রয়োজন রেল কর্তৃপক্ষের। আমাদের দেশের আওয়ামীলীগ সরকার সবসময় গরীবদের অগ্রাধীকার দিয়ে আসছেন। বড়ই পরিতাপের বিষয় পীরগাছা রেলষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের দোষ কি? অপরদিকে তাদের অপরাধ কি? তাদের পেটে লাথি মারা ব্যাতিত অন্য কিছু না।
অবিশ্বস্য হলেও সত্য যে, ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ৩শ গজের মধ্যে তথা পীরগাছা প্রেস ক্লাবের পূর্বে এক সময় শিয়ালের অবাধ বিচরন সহ কুকুর ও গরু ছাগল এর পায়খানায় ষ্টেশনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত করত। ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে ষ্টেশনের পরিবেশ বিশেষকরে শতশত মানুষের পাশাপাশি হাজারো দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলো পীরগাছা রেল ষ্টেশন থেকে স্বল্প মূলে বিভিন্ন রংবেরঙ্গের শীতবস্ত্র ক্রয় করত। ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের পাশে এসে দাড়ানোর জন্য পীরগাছা বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা, পীরগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতিরি সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লা আল মামুদ মিলন সহ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফছার আলী, পীরগাছা ৭নং ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তাফিজার রহমান রেজার শুভ নেক দৃষ্টি আশু প্রয়োজন।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
পীরগাছায় জেএমবি নেতা রিমান্ডে, গুরত্ব পূর্ণ তথ্য প্রদান
রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় নামে-বেনামে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে খোলস পাল্টিয়ে নতুন করে সংগঠিত হচ্ছে জেএমবি। সম্প্রতি জেএমবির সামরিক শাখার দুই শীর্ষ নেতা বিষ্ফোরক ও অস্ত্র সহ গ্রেফতারের পর বেড়িয়ে আসছে নতুন নতুন তথ্য। ফলে বড় ধরনের নাশকতার আশংকায় শংকিত হয়ে পড়েছেন উপজেলা বাসী। এদিকে পীরগাছা থানায় ৭ দিনের রিমান্ডে থাকা জেএমবি নেতা খয়বর আলম গত সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের দ্বিতীয় দিনে পুলিশের নিকট গুর“ত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আইন-শৃংখলা বাহিনীর তেমন কোন তৎপরতা না থাকায় এ-উপজেলাকে নিরাপদ ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করছে জেএমবি। তারা কল্যানী ইউনিয়নের পশুয়া, তাম্বুলপুর ও ছাওলা ইউনিয়নের দূর্গম চরাঞ্চল এবং কান্দি ইউনিয়নের নিভৃত পল্লীর লোকদের ধর্মভীরুতার সুযোগ নিয়ে গোপনে তাদের দাওয়াতি কার্যক্রম চালাচ্ছে। তারা ওইসব এলাকার মানুষকে ধর্ম শিক্ষাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে সংগঠিত করছে।
একাধিক সূত্রঃ থেকে পাওয়া তথ্যে আরো জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক প্রশিক্ষিত জেএমবি সদস্য তাদের দাওয়াতি কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছে। তারা বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে পাঠাগার, কোচিং সেন্টার, ক্যাডেট মাদ্রাসা বানিয়ে অর্থ সংগ্রহ সহ সমর্থক তৈরী করছে। এছাড়া ও সুকৌশলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও জন প্রতিনিধিদের ওয়াজ মাহফিল এবং ইসলামী সংগীতানুষ্ঠানে অতিথি বানিয়ে সাধারন মানুষের দৃষ্টি কারার চেষ্টা চালায়।
তারা কল্যানী ইউনিয়নের পশুয়ার টাঙ্গাইল পাড়া গ্রামে অবস্থিত রিভাই ভাল অব ইসলামিক হেরিটেজ সোসাইটি-কুয়েত’র অর্থায়নে নির্মিত মসজিদকে কেন্দ্র করে জেএমবি’র কার্যক্রম চালাতে থাকলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী দীর্ঘ দিন ধরে পলাতক ওই এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে মাসুদ রানাকে আটক করে। পরে সে পুলিশের নিকট জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি’কে নিজ হাতে গুলি এবং কাউনিয়া উপজেলার পীরের মাজার খাদেম আওয়ামীলীগ নেতা রহমত আলীকে ধারালো ছোরা দিয়ে গলাকেটে হত্যা সহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের পিএস বাহাই সম্প্রদায়ের নেতা রুহুল আমীনকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করার কথা স্বীকার করে।
পরবর্তিতে যৌথ বাহিনী তাকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে ৫৪টি হাতবোমা তৈরীর সরঞ্জাম, বিষ্ফোরক দ্রব্য ও ৩টি ধারালো ছোরা উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর পীরগাছা ও কাউনিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলায় তাকে আসামী করা হয়। ওই মামলা দায়েরের পর পীরগাছা থানা পুলিশ ৮ ডিসেম্বর বিকেলে পশুয়া হাতিবান্ধা গ্রাম থেকে অপর জে এম বি নেতা খয়বর আলমকে আটক করে। পরে তাকে বিষ্ফারক মামলার আসামী হিসেবে জেল-হাজতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বর্তমানে জেএমবি নেতা খয়বর আলম পীরগাছা থানায় পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন।
পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ রিমান্ডে থাকা খয়বর আলম পুলিশের জ্ঞিাসাবাদে গুরুত্ব পূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তা এখন প্রকাশ করা সম্ভব নয় ঐ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
রিপোর্টারঃ কাজী শহীদুল ইসলাম
১৫ ডিসেম্বর ২০১৫
পীরগাছায় একরাতে প্রায় ১০ বাড়িতে শিং-খুঁড়লো দূর্বৃত্ত কারীরা
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাশাপাশি দু’টি গ্রাম চন্ডিপুর ও পবিত্রঝাড়ের একাধিক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ১২ ই ডিসেম্বর শনিবার গভীর রাতে পবিত্রঝাড় গ্রামের আমজাদ হোসেন, শাহনুর মিয়া, আজিত মিয়া এবং চন্ডিপুর গ্রামের শহিদুল মিয়া, সহ আরও একাধিক বাড়িতে উক্ত চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘরের বেড়ার নিচে নিখুঁত ভাবে মাটি খূঁড়ে প্রায় ১০-১২ টি মোবাইল ফোন, টাকা ও আসবাবপত্র সহ গুর“ত্বপূর্ণ দ্রব্য সামগ্রী চুরি করে পালিয়ে যায় কতিপয় দূর্বৃত্তকারীরা।
চুরির স্থান ও অন্যান্য দিক বিবেচনা করে ধারণা করা হয়েছে চুরি কারীর সংখ্যা একাধিক হতে পারে । তবে ঘরে প্রবেশের শুরঙ্গ দেখে অনেকেই ধারনা করছেন, চুরিকারী ব্যাক্তি বয়সে অনেক ছোট হতে পারে, কেননা শুরঙ্গ গুলো ছিলো খুবই ছোট। কিন্তু চুরির ধরণ দেখে অনেকেই এটাকে কোন অভিজ্ঞ চোরের কাজ হতে পারে বলে ধারণা করছেন।
সবচেয়ে আশ্চর্য্য জনক হলেও সত্য, প্রতিটি বাড়িতেই লোকজন থাকা সত্যেও কেউই চুরির ঘটনা সঠিক সময়ে জানতে পারেন নি। সকলেই ছিলেন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। এদিকে একই সময়ে একাধিক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটায় এলাকাবাসীর মনে একপ্রকার আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই জানিয়েছেন, উক্ত এলাকায় অনেকদিন পরে হঠাৎ এমন ঘটনা সত্যিই পীড়া দায়ক। তবে উক্ত চুরির ঘটনায় আসল দূর্বৃত্তকারীরা কে বা কারা ছিল তা এখন পর্যন্ত পাওয়া জায়নি। এ ব্যাপারে পীরগাছা থানায় কোন প্রকার মামলাও করা হয়নি বলে জানা গেছে।
রিপোর্টারঃ মাসুদ রানা, ০১৭৮৫৪৪২০৭৯, ০১৭৭৩৪৬৯৪০৩
পীরগাছার কল্যাণী ইউনিয়নে আগামী ২১শে ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

কল্যাণী ইউনিয়নের ১৩ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। উক্ত নির্বাচনে আব্দুল জলিল সরকার সহ ৫জন চেয়ারম্যন প্রার্থী অংশগ্রহন করেছেন। গত ১৪ই ডিসেম্বর সোমবার কল্যাণী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে নির্বাচনী বিধিমালা এবং ২১শে ডিসেম্বর কল্যাণী ইউনিয়নে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এর লক্ষ্যে প্রশাসনের আয়োজিত নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী চেয়ারম্যন মেম্বার সংরক্ষিত মহিলা আসনের অংশগ্রহনকারীদের নিয়ে এক আলচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনী আলোচনা সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ আলিয়া ফেরদৌস জাহান, রংপুর অঞ্চলের নির্বাচনী উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম। আইন শৃক্সখলার বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন অফিসার এটিএম সেলিম, আনছার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ নাজিম উদ্দিন, রংপুর জেলার মহানগর সুজন, সভাপতি বৈশাখী টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক মোঃ আফতাফ উদ্দিন, কল্যাণি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ কাওছার আলম।
বিভিন্ন সমস্যা ও দাবীদাওয়া তুলে ধরে চেয়রম্যান প্রার্থীদের মধ্যে মতবিনিময় করেন অটোরিক্সা মার্কার চেয়ারম্যন প্রার্থী মোঃ আব্দুল জলিল সরকার। মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শফিকুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ, মোসলেম উদ্দিন, জবেদ আলী সহ আরো অনেকে। মোট ৫২ জন প্রার্থী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন।
অনুষ্ঠানের মধ্যমনি সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ আলিয়া ফেরদৌস জাহান, পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন আপনারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করবেন এই প্রত্যাশা আমরা করি। নির্বাচন চলাকালিন কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটলে তাহা আমরা আইগতভাবে মোকাবেলা করব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরো বলা হয় নির্বাচন শুধুমাত্র সারা বাংলাদেশের মধ্যে একটি ইউনিয়নে নির্বাচন হচ্ছে। যাহা রংপুর জেলার ৭৭টি ইউনিয়নের মধ্যে পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নে। পাশেই রংপুর শহর। আমাদের কোন অসুবিধা হবে না। মোবাইল টিম, ম্যাজিষ্ট্রেট, পুলিশ, আনছার সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করবেন। কেহ যদি কোন কেন্দ্রে অথবা ভোট চলাকালিন কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল টিম আইনগত ব্যবস্থা কঠোর ভাবে গ্রহন করবেন।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
২৫ নভেম্বর ২০১৫
পীরগাছায় পিএসসি পরীক্ষা চলাকালীন ২ কেন্দ্রে ৪ শিক্ষককে বহিষ্কার
সারা দেশের ন্যায় পীরগাছা উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিএসসি) ও ইফতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা পীরগাছার ৯টি ইউনিয়নে ৯টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৬ হাজার ২শ ৭৮ পিএসসি পরীক্ষায় ও ৮শ ৪৮ জন ইফতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ আলীয়া ফেরদৌস জাহান, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) নাছিম আহম্মেদ, পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার রফিক উজ্জামান সার্বিক দায়িত্ব সহ প্রশাসনিক দায়িত্ব যথার্থভাবে পালন করছেন কেন্দ্রসমূহে গিয়ে।
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে চৌধুরাণী কৈকুড়ি ইউনিয়নের চৌধুরাণী পিএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে ৩ জন শিক্ষককে বহিস্কার। কান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন অসদ উপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ১জন হল সুপারকে বহিস্কার করা হয়।
এদিকে কল্যানী ইউনিয়নের বড়দরগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বে নিয়োজিত কেন্দ্র সচিব সুফিয়া বেগম পরীক্ষা চলাকালীন যথাযথ ভূমিকা পালন করছেন। কল্যাণী ইউনিয়নে ৫শ ৬৮জন পিএসসি অপরদিকে মাত্র ৩৬জন ইফতেদায়ি পরীক্ষার্থী অংশনিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা দিচ্ছেন। হল সুপারের দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ ইকবাল, প্রধান শিক্ষক অন্নদানগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সৈয়দপুর নয়াহাট কেন্দ্রে পিএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষাথীদের সংখ্যা ৭শ ১২জন, ইফতেদায়ি পরীক্ষাথীদের সংখ্যা ৩৩জনের মধ্যে ২৯জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন বলে কেন্দ্র সচিব নূর জাহান বেগম সাংবাদিক মুন্সিকে সাক্ষাতে জানান। পরীক্ষা চলাকালীন কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি। এ কেন্দ্রে মেজিষ্ট্রেসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান।
কালিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫শ ৫৮জন পিএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন। ইফতেদায়ী শাখায় মাত্র ৩০জন। কালিগঞ্জ পরীক্ষা কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন কালিগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক সালেহা বেগম। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত।
সতদরগা পরীক্ষাকেন্দ্রে ৭শ ৪৬জন পিএসসি পরীক্ষার্থী ইফতেদায়ী শাখায় ৮০জন অংশগ্রহন করছেন। কেন্দ্র সচিব হিসাবে সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন সাতদরগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাজাহান। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সাতদরগায় পিএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত।
ছাওলা ইউনিয়নের কুটিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২শ ৩১জন পিএসসি পরীক্ষা অংশগ্রহন করছেন বলে কেন্দ্র সচিব মোঃ ছাদেকুল ইসলাম পরীক্ষা চলাকালীন যথযথ ভূমিকা পালন করছেন। কুটিপাড়া কেন্দ্রে ইফতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১শ ৩৪জন শন্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষার উত্তরপত্র লিখছেন। তাম্বুলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ১১ জন ইফতেদায়ী শাখায় ১শ ২৫জন অংশগ্রহন করছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন খাদিজা আক্তার। সুষ্ঠভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ কেন্দ্রে।
পীরগাছা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসিতে ৯শ ৮০জন ও ইফতেদায়ী শাখায় ১শ ৭৭জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান মেজিষ্ট্রেসি হিসাবে যথাযথভাবে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ভূমিকা রাখছেন। চৌধুরাণী কেন্দ্রে ৮শ ৪১জন পিএসসি পরীক্ষায় অপরদিকে ইফতেদায়ী শাখায় ৭৩জন অংশগ্রহন করছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন সনিয়া আনছাড়ী।
কান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫শ ৩১জন ইফতেদায়ী শাখায় ১শ ৬০জন নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র লেখছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন সরকার মাছুদুর রহমান।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ আলীয়া ফেরদৌস জাহান, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) নাছিম আহম্মেদ, পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার রফিক উজ্জামান সার্বিক দায়িত্ব সহ প্রশাসনিক দায়িত্ব যথার্থভাবে পালন করছেন কেন্দ্রসমূহে গিয়ে।
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে চৌধুরাণী কৈকুড়ি ইউনিয়নের চৌধুরাণী পিএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে ৩ জন শিক্ষককে বহিস্কার। কান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন অসদ উপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ১জন হল সুপারকে বহিস্কার করা হয়।
এদিকে কল্যানী ইউনিয়নের বড়দরগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বে নিয়োজিত কেন্দ্র সচিব সুফিয়া বেগম পরীক্ষা চলাকালীন যথাযথ ভূমিকা পালন করছেন। কল্যাণী ইউনিয়নে ৫শ ৬৮জন পিএসসি অপরদিকে মাত্র ৩৬জন ইফতেদায়ি পরীক্ষার্থী অংশনিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা দিচ্ছেন। হল সুপারের দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ ইকবাল, প্রধান শিক্ষক অন্নদানগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সৈয়দপুর নয়াহাট কেন্দ্রে পিএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষাথীদের সংখ্যা ৭শ ১২জন, ইফতেদায়ি পরীক্ষাথীদের সংখ্যা ৩৩জনের মধ্যে ২৯জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন বলে কেন্দ্র সচিব নূর জাহান বেগম সাংবাদিক মুন্সিকে সাক্ষাতে জানান। পরীক্ষা চলাকালীন কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি। এ কেন্দ্রে মেজিষ্ট্রেসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান।
কালিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫শ ৫৮জন পিএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন। ইফতেদায়ী শাখায় মাত্র ৩০জন। কালিগঞ্জ পরীক্ষা কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন কালিগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক সালেহা বেগম। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত।
সতদরগা পরীক্ষাকেন্দ্রে ৭শ ৪৬জন পিএসসি পরীক্ষার্থী ইফতেদায়ী শাখায় ৮০জন অংশগ্রহন করছেন। কেন্দ্র সচিব হিসাবে সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন সাতদরগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাজাহান। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সাতদরগায় পিএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত।
ছাওলা ইউনিয়নের কুটিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২শ ৩১জন পিএসসি পরীক্ষা অংশগ্রহন করছেন বলে কেন্দ্র সচিব মোঃ ছাদেকুল ইসলাম পরীক্ষা চলাকালীন যথযথ ভূমিকা পালন করছেন। কুটিপাড়া কেন্দ্রে ইফতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১শ ৩৪জন শন্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষার উত্তরপত্র লিখছেন। তাম্বুলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ১১ জন ইফতেদায়ী শাখায় ১শ ২৫জন অংশগ্রহন করছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন খাদিজা আক্তার। সুষ্ঠভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ কেন্দ্রে।
পীরগাছা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসিতে ৯শ ৮০জন ও ইফতেদায়ী শাখায় ১শ ৭৭জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান মেজিষ্ট্রেসি হিসাবে যথাযথভাবে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ভূমিকা রাখছেন। চৌধুরাণী কেন্দ্রে ৮শ ৪১জন পিএসসি পরীক্ষায় অপরদিকে ইফতেদায়ী শাখায় ৭৩জন অংশগ্রহন করছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন সনিয়া আনছাড়ী।
কান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫শ ৩১জন ইফতেদায়ী শাখায় ১শ ৬০জন নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র লেখছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন সরকার মাছুদুর রহমান।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
২৩ নভেম্বর ২০১৫
পীরগাছায় এক যুগ পর ইউপি নির্বাচন
সীমানা নিয়ে দীর্ঘ জটিলতার অবসান হওয়ার মধ্য দিয়ে অবশেষে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আজ সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। দীর্ঘ এক যুগ পর হচ্ছে এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে উৎসবের আমেজে মেতেছে গোটা ইউনিয়ন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রংপুর সিটি করপোরেশন ঘোষণার পর কল্যাণী ইউনিয়নের গোদা সিমলা ও কলাবাড়ি এলাকা সিটি করপোরেশনের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় সীমানা এবং আইনগত নানা জটিলতা দেখা দেয়। এ অবস্থায় আর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। সবশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে। সীমানা নিয়ে জটিলতা অবসানের পর গত ২১ মে ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশিত হয়। ১২ নভেম্বর ঘোষিত হয় নির্বাচনের তফসিল। আগামী ২১ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ ইউনিয়নে ভোটার আছেন ১৬ হাজার ১৪৬ জন। এর মধ্যে নারী ৮ হাজার ৭৪ ও পুরুষ ৮ হাজার ৭২ জন। ভোট কেন্দ্র আছে ১০টি।
সরেজমিন গতকাল রোববার সকালে ইউনিয়নটিতে গেলে সেখানে নির্বাচনী আমেজ দেখা যায়। ভোটারদের মধ্যে দেখা যায় উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী না থাকলেও দলীয় নেতা-কর্মীরাও সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থনে মাঠে কাজ করছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, পুরুষদের চেয়ে নারী ভোটারদের তৎপরতা বেশি। মনোনয়নপত্র জমা হওয়ার আগেই প্রার্থীদের পক্ষে দোয়া চেয়ে নারী সমর্থকেরা বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন। আর পুরুষ ভোটাররা চায়ের স্টলগুলোতে আড্ডায় ব্যস্ত।
সাত দরগা এলাকার গৃহিণী রোকসানা পারভিন বলেন, ‘ভোটার অনেক আগোত হইছি। কিন্তু ভোট দিবার পারি নাই। এইবারই প্রথম ভোট দেমো। খুব আনন্দ লাগছে।’
একই এলাকার কৃষক লিয়াকত আলী বলেন, ‘এত দিন পর ভোট। ভালো মানুষোক ভোট দেমো।’ নির্বাচন না হওয়ায় গত এক যুগ ধরে এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন কাওসার হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমারও ভালো লাগছে যে শেষ পর্যন্ত সীমানা জটিলতার অবসান হয়ে নির্বাচন হতে যাচ্ছে।’
সোর্সঃ প্রথম আলো
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রংপুর সিটি করপোরেশন ঘোষণার পর কল্যাণী ইউনিয়নের গোদা সিমলা ও কলাবাড়ি এলাকা সিটি করপোরেশনের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় সীমানা এবং আইনগত নানা জটিলতা দেখা দেয়। এ অবস্থায় আর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। সবশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে। সীমানা নিয়ে জটিলতা অবসানের পর গত ২১ মে ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশিত হয়। ১২ নভেম্বর ঘোষিত হয় নির্বাচনের তফসিল। আগামী ২১ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ ইউনিয়নে ভোটার আছেন ১৬ হাজার ১৪৬ জন। এর মধ্যে নারী ৮ হাজার ৭৪ ও পুরুষ ৮ হাজার ৭২ জন। ভোট কেন্দ্র আছে ১০টি।
সরেজমিন গতকাল রোববার সকালে ইউনিয়নটিতে গেলে সেখানে নির্বাচনী আমেজ দেখা যায়। ভোটারদের মধ্যে দেখা যায় উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী না থাকলেও দলীয় নেতা-কর্মীরাও সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থনে মাঠে কাজ করছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, পুরুষদের চেয়ে নারী ভোটারদের তৎপরতা বেশি। মনোনয়নপত্র জমা হওয়ার আগেই প্রার্থীদের পক্ষে দোয়া চেয়ে নারী সমর্থকেরা বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন। আর পুরুষ ভোটাররা চায়ের স্টলগুলোতে আড্ডায় ব্যস্ত।
সাত দরগা এলাকার গৃহিণী রোকসানা পারভিন বলেন, ‘ভোটার অনেক আগোত হইছি। কিন্তু ভোট দিবার পারি নাই। এইবারই প্রথম ভোট দেমো। খুব আনন্দ লাগছে।’
একই এলাকার কৃষক লিয়াকত আলী বলেন, ‘এত দিন পর ভোট। ভালো মানুষোক ভোট দেমো।’ নির্বাচন না হওয়ায় গত এক যুগ ধরে এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন কাওসার হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমারও ভালো লাগছে যে শেষ পর্যন্ত সীমানা জটিলতার অবসান হয়ে নির্বাচন হতে যাচ্ছে।’
সোর্সঃ প্রথম আলো
২১ নভেম্বর ২০১৫
পীরগাছায় অবৈধ কোচিং সেন্টারের রাজত্ব সাথে অবৈধ শিক্ষক ছাত্রীর সম্পর্ক
পীরগাছায় শিক্ষার নামে এসব কি হচ্ছে! সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করা হচ্ছে! অথচ ওদের ব্যবসা জমজমাট। সম্প্রতি শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষা মান উন্নয়নে আলোচনা সভায় বিভিন্ন শিক্ষক বক্তব্যে কোচিং সেন্টারের বিষয়ে অভিযোগ তোলেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান ভাল না থাকায় সুশিক্ষার জন্য কোচিংয়ে ছুটে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রী।
এক শ্রেনীর শিক্ষক ক্লাসের মধ্যে অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীদেরকে সুশিক্ষা না দিয়ে কোচিং ও প্রাইভেট শিক্ষার নামে অবৈধভাবে সরকারী শিক্ষানীতিকে তোয়াক্কা না করে ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কোচিং ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যেসব শিক্ষক এ ধরনের ব্যবসায় জরিত এদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নিলে একদিকে যেমন ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা প্রাইভেট ও কোচিং বন্ধ হবে অপর দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা সুশিক্ষা পাবে বিজ্ঞ শিক্ষকদের মাধ্যমে।
কোচিং ও প্রাইভেট পড়ার নামে কোচিং-এর কতিপয় অবিবাহিত যুবক শিক্ষক একদিকে তারা কোচিং এর ছাত্র-ছাত্রীদের ভালো শিক্ষার মান উন্নয়ণে নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কোচিং এ এসএসসি, এইচএসসি’র অধ্যয়নরত ভর্তি কোচিং-এ ছাত্র ছাত্রীদের সহিত শিক্ষার নামে প্রতারণা করে আসছে। সরেজমিনে এসব কোচিং এর নামধারী যুবক শিক্ষকদের ব্যাপারে জানা গেছে, এসব কোচিং-এর শিক্ষকগণ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়–য়া ছাত্র নয়। এসব শিক্ষক (ছাত্র) স্থানীয় কোন একটি কলেজের অধ্যয়নরত ছাত্র এসএসসি পাশ অথবা এইচএসসি পাশ বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পড়ার ফাঁকে উক্ত কোচিং-এর অবিবাহিত যুবকটি ছাত্রীদের নিকটে সময়ের জন্য কথা বলতে তার হাতে নির্দিষ্ট মোবাইল ফোনটির নাম্বার নিয়ে তার মোবাইলে সীমা, এসএ, তাম্মী বিভিন্ন নামের সংকেত মোবাইলে সেভ করে উক্ত শিক্ষক তার কোচিং-এ পড়া মেয়েটির সঙ্গে গভীর রাতে অবৈধভাবে প্রেমের সংলাপ করে। এদিকে অবুঝ অবলা নারীটি জানেনা উক্ত ভন্ড কোচিং-এর শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষার নামে কোচিং-এ গিয়ে জড়িয়ে পড়বে প্রেম সাগরে। মা-বাবা জানেনা তাদের আদরের সুন্দর মেয়েটি পীরগাছা এবং রংপুরের নামীদামি কোচিং-এ লেখাপড়ার ফাঁকে সর্বনাশের পথে চলে গেছে জড়িয়ে পড়েছে কোচিং-এ প্রতারক শিক্ষকের মোবাইল প্রেমে।
মোবাইল প্রেমের সংখ্যা কোচিং সেন্টারে যেমন তেমন বেকারত্ব যুবকরা মোবাইল প্রেমে আসক্ত হচ্ছে মোবাইল যাদের হাতে রয়েছে সেই সব ছাত্রীদের সঙ্গে। বিশেষ করে পীরগাছা উপজেলার প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্য যে হারে চলছে তাহা মনে হয় না যে, মেধাবী শিক্ষকগণ বিধি মোতাবেক এমনিতে শিক্ষক পদে নিয়োগ পাচ্ছেন। কতিপয় হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক স্কুল চলাকালীন সময়ে গোল্ডলিফ সিগারেট, ব্যানসন সিগারেট সহ বিভিন্ন সিগারেট প্রতি ঘন্টায় কমপক্ষে ৫টা থেকে ১০টা পান করেন। যাহার বাস্তব প্রমান এ প্রতিনিধি সাংবাদিক মুন্সির ক্যামেরায়।
উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রধান শিক্ষক সমূহে বিভিন্ন পদে শিক্ষক নিয়োগ অনেক প্রতিষ্ঠানে অযোগ্য হালকা পাতলা প্রধান শিক্ষক তৃতীয় শ্রেনীর সার্টিফিকেট দ্বারা প্রধান শিক্ষক পদে টাকার বিনিময়ে চাকুরীতে নিয়োগ পাওয়ায় অধ্যয়নরত সহকারী শিক্ষকগণ প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়ে সমালোচনা করেন। উল্লেখ্য যে, রাজনীতি অঙ্গনে যেমন প্রত্যেকটি বিষয়ে স্বচ্ছলতার মাঝে ফিটনেস বডি যেমন আশু প্রয়োজন তেমনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হতে হলে চতুর্দিকে শিক্ষার পাশাপাশি ফিটনেস বডিরও প্রয়োজন বলে সহকারী শিক্ষকগন সমালোচনা করেন।
দূর্নীতি, অনিয়ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দূর কি হবে? চলতি ২০১৫ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণে প্রধান শিক্ষকগণ উচ্চ আদালতের নির্দেশ তোয়াক্কা না করে মনগড়া মতে ১১শ টাকার স্থলে ২৫শ টাকা হতে ৩হাজার টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত টাকাগুলো সভাপতি প্রধান শিক্ষক সহ হাতে গোনা কয়েকজন ভাগ বাটয়ারা করে মাছ মাংশ কিনে খায়, আর কেউ বাড়ির টাইলস সহ সোপাসেট কিনে নেয়। পীরগাছা উপজেলার শতকরা ৯০ জন প্রধান শিক্ষক উচ্চ আদালতের আইন মানছে না। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে বিজ্ঞ মহল মনে করেন।
উল্লেখ্য যে, মা-বাবা সন্তানদেরকে বুক ভরা আশা নিয়ে ভবিষ্যত উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে এবং কোচিং-এ পাঠাচ্ছে। কিন্তু এক শ্রেনীর নারীলোভী শিক্ষক সর্বনাশ করছে লাবণ্যময় চেহারা দেখে ছাত্রীদের ভবিষ্যত জীবন ও যৌবন। যার বাস্তব প্রমাণ বড়দরগা এলাকার শাজাহান আলী নামের সেই প্রথান শিক্ষক আবারো ছাত্রী কেলেঙ্কারীতে জড়িত হয়ে বড়দরগায় শিক্ষকদের মধ্যে এবং ঘটনাস্থল সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যপক সমালচনা চলছে প্রধান শিক্ষক শাজাহানকে নিয়ে।
অপরদিকে শিক্ষক হয়ে ধর্ম মেয়ের সহিত অসামাজিক কাজে ধরা পড়ায় হাজার হাজার টাকা জরিমানার বিষয়টি সৈয়দপুর বাজারে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। উক্ত নামধারী শিক্ষক একজন নারী কেলেঙ্কারীর হোতা। আর অবশেষে রংপুর শহরে সুন্দরী ধর্মবেটির (ছাত্রী) সঙ্গে ধরা পরায় আলোড়ন সৃষ্টি করে। রাজবাড়ী পাকারমাথায় শিশির কুমারের গড়ে ওঠা মেধা বিকাশ শিশু নিকেতন প্রতিষ্ঠানটি সুযোগ্য পরিচালক থাকার ফলে অপরদিকে অভিজ্ঞ শিক্ষক শিক্ষিকা পাঠদানের জন্য শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠভাবে সুশিক্ষা পাচ্ছে।
গোপাল মাষ্টারের বাড়ির সংলগ্ন কোচিং সেন্টারে অন্যান্য কোচিং এর চেয়ে কোচিং এর শিক্ষকগন বিজ্ঞ হওয়ায়, যার ফলে পীরগাছা জেএন সহ নামীদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগন গোপাল মাষ্টারের বাড়ির কোচিং সেন্টারে শিক্ষা লাভ করছে। একমাত্র গোপাল মাষ্টারের বাড়ির কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের মাঝে কোন অভিযোগ নেই। মেধা বিকাশ শিশু নিকেতন প্রতিষ্ঠানটিও শিক্ষার সুনাম ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর আশা-আকাক্সখা পূরণ করবে শিশির কুমার।
অপরদিকে শরিফসুন্দর ও চন্ডিপুর ২টি কোচিং সেন্টারে অনার্স ও মাষ্টার্স পাশ বেকার যুবকরা এলাকার সন্তানদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে বিকাল ৫টার পর থেকে কোচিং খুলছেন। এতে ক্লাস ওয়ান থেকে পঞ্চম শ্রেনীর অপরদিতে সিক্স থেকে দশম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীরা সুশিক্ষার জন্য ছুটে আসছেন নেকমামুদ দুটি কোচিং সেন্টারে।
অপরদিকে শরীফ সুন্দর প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন ২টি কোচিং সেন্টারে শান্তিপূর্ন পরিবেশে কোচিং সেন্টারের নামে চলছে সুশিক্ষার বাণিজ্য। অধ্যয়নরত বিদ্যালয়গামী ছাত্রছাত্রীরা বিজ্ঞ শিক্ষকদের নিকট সুশিক্ষার জন্য প্রতিদিন স্কুল ছুটির পর ছুটে যান তাদের মনোনীত কোচিং সেন্টারে। পীরগাছায় কোচিং সেন্টারগুলো যদিও অবৈধ তথাপিও এ প্রতিনিধি সরেজমিনে গিয়ে সাক্ষাতে শিক্ষকদের সাথে কথা বলে অবগত হন সরকার কর্তৃক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কোচিং সেন্টারগুলোতে বিজ্ঞ শিক্ষকের তত্বাবধানে ও পাঠদানের ফলে শিক্ষার মান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে গোটা উপজেলায়। যার বাস্তব প্রমান পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার বাড়ছে তবে পরীক্ষার পরিবেশের ভিন্ন চিত্র।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সী
এক শ্রেনীর শিক্ষক ক্লাসের মধ্যে অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীদেরকে সুশিক্ষা না দিয়ে কোচিং ও প্রাইভেট শিক্ষার নামে অবৈধভাবে সরকারী শিক্ষানীতিকে তোয়াক্কা না করে ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কোচিং ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যেসব শিক্ষক এ ধরনের ব্যবসায় জরিত এদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নিলে একদিকে যেমন ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা প্রাইভেট ও কোচিং বন্ধ হবে অপর দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা সুশিক্ষা পাবে বিজ্ঞ শিক্ষকদের মাধ্যমে।
কোচিং ও প্রাইভেট পড়ার নামে কোচিং-এর কতিপয় অবিবাহিত যুবক শিক্ষক একদিকে তারা কোচিং এর ছাত্র-ছাত্রীদের ভালো শিক্ষার মান উন্নয়ণে নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কোচিং এ এসএসসি, এইচএসসি’র অধ্যয়নরত ভর্তি কোচিং-এ ছাত্র ছাত্রীদের সহিত শিক্ষার নামে প্রতারণা করে আসছে। সরেজমিনে এসব কোচিং এর নামধারী যুবক শিক্ষকদের ব্যাপারে জানা গেছে, এসব কোচিং-এর শিক্ষকগণ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়–য়া ছাত্র নয়। এসব শিক্ষক (ছাত্র) স্থানীয় কোন একটি কলেজের অধ্যয়নরত ছাত্র এসএসসি পাশ অথবা এইচএসসি পাশ বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পড়ার ফাঁকে উক্ত কোচিং-এর অবিবাহিত যুবকটি ছাত্রীদের নিকটে সময়ের জন্য কথা বলতে তার হাতে নির্দিষ্ট মোবাইল ফোনটির নাম্বার নিয়ে তার মোবাইলে সীমা, এসএ, তাম্মী বিভিন্ন নামের সংকেত মোবাইলে সেভ করে উক্ত শিক্ষক তার কোচিং-এ পড়া মেয়েটির সঙ্গে গভীর রাতে অবৈধভাবে প্রেমের সংলাপ করে। এদিকে অবুঝ অবলা নারীটি জানেনা উক্ত ভন্ড কোচিং-এর শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষার নামে কোচিং-এ গিয়ে জড়িয়ে পড়বে প্রেম সাগরে। মা-বাবা জানেনা তাদের আদরের সুন্দর মেয়েটি পীরগাছা এবং রংপুরের নামীদামি কোচিং-এ লেখাপড়ার ফাঁকে সর্বনাশের পথে চলে গেছে জড়িয়ে পড়েছে কোচিং-এ প্রতারক শিক্ষকের মোবাইল প্রেমে।
মোবাইল প্রেমের সংখ্যা কোচিং সেন্টারে যেমন তেমন বেকারত্ব যুবকরা মোবাইল প্রেমে আসক্ত হচ্ছে মোবাইল যাদের হাতে রয়েছে সেই সব ছাত্রীদের সঙ্গে। বিশেষ করে পীরগাছা উপজেলার প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্য যে হারে চলছে তাহা মনে হয় না যে, মেধাবী শিক্ষকগণ বিধি মোতাবেক এমনিতে শিক্ষক পদে নিয়োগ পাচ্ছেন। কতিপয় হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক স্কুল চলাকালীন সময়ে গোল্ডলিফ সিগারেট, ব্যানসন সিগারেট সহ বিভিন্ন সিগারেট প্রতি ঘন্টায় কমপক্ষে ৫টা থেকে ১০টা পান করেন। যাহার বাস্তব প্রমান এ প্রতিনিধি সাংবাদিক মুন্সির ক্যামেরায়।
উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রধান শিক্ষক সমূহে বিভিন্ন পদে শিক্ষক নিয়োগ অনেক প্রতিষ্ঠানে অযোগ্য হালকা পাতলা প্রধান শিক্ষক তৃতীয় শ্রেনীর সার্টিফিকেট দ্বারা প্রধান শিক্ষক পদে টাকার বিনিময়ে চাকুরীতে নিয়োগ পাওয়ায় অধ্যয়নরত সহকারী শিক্ষকগণ প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়ে সমালোচনা করেন। উল্লেখ্য যে, রাজনীতি অঙ্গনে যেমন প্রত্যেকটি বিষয়ে স্বচ্ছলতার মাঝে ফিটনেস বডি যেমন আশু প্রয়োজন তেমনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হতে হলে চতুর্দিকে শিক্ষার পাশাপাশি ফিটনেস বডিরও প্রয়োজন বলে সহকারী শিক্ষকগন সমালোচনা করেন।
দূর্নীতি, অনিয়ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দূর কি হবে? চলতি ২০১৫ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণে প্রধান শিক্ষকগণ উচ্চ আদালতের নির্দেশ তোয়াক্কা না করে মনগড়া মতে ১১শ টাকার স্থলে ২৫শ টাকা হতে ৩হাজার টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত টাকাগুলো সভাপতি প্রধান শিক্ষক সহ হাতে গোনা কয়েকজন ভাগ বাটয়ারা করে মাছ মাংশ কিনে খায়, আর কেউ বাড়ির টাইলস সহ সোপাসেট কিনে নেয়। পীরগাছা উপজেলার শতকরা ৯০ জন প্রধান শিক্ষক উচ্চ আদালতের আইন মানছে না। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে বিজ্ঞ মহল মনে করেন।
উল্লেখ্য যে, মা-বাবা সন্তানদেরকে বুক ভরা আশা নিয়ে ভবিষ্যত উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে এবং কোচিং-এ পাঠাচ্ছে। কিন্তু এক শ্রেনীর নারীলোভী শিক্ষক সর্বনাশ করছে লাবণ্যময় চেহারা দেখে ছাত্রীদের ভবিষ্যত জীবন ও যৌবন। যার বাস্তব প্রমাণ বড়দরগা এলাকার শাজাহান আলী নামের সেই প্রথান শিক্ষক আবারো ছাত্রী কেলেঙ্কারীতে জড়িত হয়ে বড়দরগায় শিক্ষকদের মধ্যে এবং ঘটনাস্থল সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যপক সমালচনা চলছে প্রধান শিক্ষক শাজাহানকে নিয়ে।
অপরদিকে শিক্ষক হয়ে ধর্ম মেয়ের সহিত অসামাজিক কাজে ধরা পড়ায় হাজার হাজার টাকা জরিমানার বিষয়টি সৈয়দপুর বাজারে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। উক্ত নামধারী শিক্ষক একজন নারী কেলেঙ্কারীর হোতা। আর অবশেষে রংপুর শহরে সুন্দরী ধর্মবেটির (ছাত্রী) সঙ্গে ধরা পরায় আলোড়ন সৃষ্টি করে। রাজবাড়ী পাকারমাথায় শিশির কুমারের গড়ে ওঠা মেধা বিকাশ শিশু নিকেতন প্রতিষ্ঠানটি সুযোগ্য পরিচালক থাকার ফলে অপরদিকে অভিজ্ঞ শিক্ষক শিক্ষিকা পাঠদানের জন্য শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠভাবে সুশিক্ষা পাচ্ছে।
গোপাল মাষ্টারের বাড়ির সংলগ্ন কোচিং সেন্টারে অন্যান্য কোচিং এর চেয়ে কোচিং এর শিক্ষকগন বিজ্ঞ হওয়ায়, যার ফলে পীরগাছা জেএন সহ নামীদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগন গোপাল মাষ্টারের বাড়ির কোচিং সেন্টারে শিক্ষা লাভ করছে। একমাত্র গোপাল মাষ্টারের বাড়ির কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের মাঝে কোন অভিযোগ নেই। মেধা বিকাশ শিশু নিকেতন প্রতিষ্ঠানটিও শিক্ষার সুনাম ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর আশা-আকাক্সখা পূরণ করবে শিশির কুমার।
অপরদিকে শরিফসুন্দর ও চন্ডিপুর ২টি কোচিং সেন্টারে অনার্স ও মাষ্টার্স পাশ বেকার যুবকরা এলাকার সন্তানদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে বিকাল ৫টার পর থেকে কোচিং খুলছেন। এতে ক্লাস ওয়ান থেকে পঞ্চম শ্রেনীর অপরদিতে সিক্স থেকে দশম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীরা সুশিক্ষার জন্য ছুটে আসছেন নেকমামুদ দুটি কোচিং সেন্টারে।
অপরদিকে শরীফ সুন্দর প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন ২টি কোচিং সেন্টারে শান্তিপূর্ন পরিবেশে কোচিং সেন্টারের নামে চলছে সুশিক্ষার বাণিজ্য। অধ্যয়নরত বিদ্যালয়গামী ছাত্রছাত্রীরা বিজ্ঞ শিক্ষকদের নিকট সুশিক্ষার জন্য প্রতিদিন স্কুল ছুটির পর ছুটে যান তাদের মনোনীত কোচিং সেন্টারে। পীরগাছায় কোচিং সেন্টারগুলো যদিও অবৈধ তথাপিও এ প্রতিনিধি সরেজমিনে গিয়ে সাক্ষাতে শিক্ষকদের সাথে কথা বলে অবগত হন সরকার কর্তৃক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কোচিং সেন্টারগুলোতে বিজ্ঞ শিক্ষকের তত্বাবধানে ও পাঠদানের ফলে শিক্ষার মান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে গোটা উপজেলায়। যার বাস্তব প্রমান পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার বাড়ছে তবে পরীক্ষার পরিবেশের ভিন্ন চিত্র।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সী
২০ নভেম্বর ২০১৫
পীরগাছা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের আসামীকে গ্রেফতার
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৯৭৪ সালের ১৫(৩) ধারার এজাহার নামিয় আসামী আব্দুস ছাত্তার, পিতাঃ ফরিদ মাহমুদ কে পীরগাছা থানা পুলিশ গত ১৯শে নভেম্বর বৃহসপতিবার সন্ধায় তার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
মামলার তদন্তকারী অফিসার ওসি তদন্ত নাজমুল আহম্মেদ সাংবাদিকদের জানান আব্দুস ছাত্তার সম্প্রতি ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনে ভাংচুর সহ নাশকতার অভিযোগে দুটি মামলার চার্জসীট আদালতে প্রেরণ করছেন পীরগাছা থানা পুলিশ। গত ১৮ই নভেম্বর বুধবার ছাওলা ইউনিয়নের জ্ঞানগঞ্জ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল আজিজের পুত্র শহীদুল ইসলাম বোমা সাজুকে পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলামের নির্দেশে এসআই শফি সাদা পোশাকে গিয়ে এলাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
গ্রেফতারকৃত বোমা সাজু একজন সাবেক ছাত্রশিবিরের কর্মী ছিলেন বলে থানা পুলিশ জানায়। পরবর্তীতে জামায়াতের সদস্যপদ লাভ করে। বোমা সাজুর বিরুদ্ধে ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনের ঘটনায় মামলা রুজু করা হলে পুলিশের হাত থেকে ধরা পরার ভয়ে বোমা সাজু আত্নগোপন করে থাকে। গোপন সাংবাদে র্সোসের মাধ্যমে পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে বোমা সাজুকে গ্রেফাতর করে থানায় নিয়ে আসে।
নাশকতার ছক অনুযায়ী গতকাল বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার আসামীদের নাম ঠিকানা বিররণী প্রকাশ করেন পুলিশের নিকট বোমা সাজু। সাজুর জবানবন্দি অনুযায়ী আব্দুস সাত্তার, পিতাঃ মৃত ফরিদ মাহমুদের নাম উঠে আসে এজাহারে। বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা নং ২৬/১১ বলে মামলার তদন্তকারী অফিসার সাংবাদিককে জানান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এজাহার নামীয় মামলার আসামী আব্দুস ছাত্তার থানার হাজতে অবস্থান করছে।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
১৮ নভেম্বর ২০১৫
পীরগাছায় সাংবাদিকের শ্বাশুড়ীর মৃত্যুতে শোক ও কুলখানি
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার এক সাংবাদিকের শ্বাশুড়ীর মৃত্যুতে বিভিন্ন সংগঠনের শোক ও কুলখানি। তিনি রংপুর থেকে প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধের মূখপত্র ‘দৈনিক দাবানল’ পত্রিকার পীরগাছা উপজেলার নিজস্ব সংবাদদাতা ডাঃ এমদাদুল হক এর শ্বাশুড়ী বাধ্যক্য জনিত কারনে কনিষ্ঠ্য কন্যা খন্দকার লায়লা আরজুমান বানু পারভীনের রহমতচরস্থ বাস গৃহে দীর্ঘ ৬ বছর রোগ-ভোগের পর গত ৭ নভেম্বর সন্ধায় মৃত্যুবরণ করেন ইন্নালিলাহে .........রাজেউন। মৃত্যুকালে তার বয়স ৯৭ বছর হয়েছিল।
তিনি মরহুম খন্দকার আনছার আলী মিয়া ফকিরের ২য় পুত্র মরহুম খন্দকার রুহুল আমিন(নয়ামিয়া)ফকিরের স্ত্রী ও মেসার্স রাজু ট্রেডার্স এর’ একমাত্র মালিক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক রাজু মিয়ার মাতা খন্দকার রেজিয়া খাতুন। তিনি শ্বশুর পীর আনছার ফকিরের খেতাব প্রাপ্তা ছালেক ছিলেন। তার জানাজা নামাজ পরদিন সকাল ১০টায় রহমতচর ঈদগাহ্ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে মিয়াবাড়ী ‘পারিবারিক কবর’ স্থানে স্বামীর কবরের পার্শ্বে দাফন করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর সময় মরহুমা ১ পুত্র ৩ কন্যা,নাত-নাতনী সহ বহু গুন গ্রাহী ও শিষ্যভক্ত রেখেযান। তার রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ ১৬ নভেম্বর সোমবার সকাল ৮টায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হইবে। মরহুমের পরিবার থেকে তার গুন গ্রাহী,ভক্ত, সংগঠক, সাংবাদিক মহল ও আত্নীয় সজনকে দোয়া ও মোনাজাতে শরীক হওয়ার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
পীরগাছায় স্বামীর যৌতুকের দাবীতে স্ত্রী, শশুর ও শাশুরীকে নির্যাতন
পীরগাছা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্বামী নির্যাতনের শিকার গৃহবধু মোছাঃ নয়ন তারা ও তার বাবা মা। এই নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটিয়েছে বেপরোয়া স্বামী আব্দুল কাদের। সহজ সরল শ্বশুর ইমান আলী বাড়ি পূর্ব ব্রাক্ষণীকুন্ডা বামন পাড়া গ্রামে। শশুর শাশুড়ি আত্নীয় স্বজনের সামনে প্রকাশ্যে যৌতুকের টাকা দাবী করে আব্দুল কাদের। দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করায় বাবার বাড়িতে নির্যতনের শিকার হন গৃহবধু নয়ন তারা।
শুধু স্ত্রীকে নির্যাতন করে ক্ষ্যান্ত হননি জামাতা আব্দুল কাদের। মেয়েকে জামাতার কবল থেকে উদ্ধার করতে এসে শশুর ইমান আলীকেও গুরত্বর আহত করেছে আব্দুল কাদের। শাশুড়ি জরিনাও রেহাই পায়নি। দিনের বেলায় প্রকাশ্যে স্ত্রী ও শশুর, শাশুরীকে নির্যাতনের বিষয়টি গ্রামের সাধারন মানুষ নিন্দা জানিয়েছেন জামাতার বিরুদ্ধে। আহত অবস্থায় নির্যাতিতা গৃহবধু নয়ন তারা বাবা ইমান আলী মা জরিনা বগম সহ ৩ জন পীরগাছা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যৌতুকের দাবী আনায়ন করে নির্যাতনের বর্ণনা উল্লেখ করে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে অসহায় গৃহবধু নয়ন তারা। পূর্ব ব্রাক্ষণীকুন্ডা বামন পাড়া গ্রামে সাধারন লোকজন সুত্রে জানা গেছে আব্দুল কাদেরের বাড়ি নব হারিয়ার ঘাট ব্যপারী পাড়ায়। অপরদিকে নয়ন তারার বাবা সহ পরিবারের লোকজন সহজ সরল নিরিহ মানুষ।
ঘটনাটি সত্য, পুলিশ যদি নয়ন তারার দায়েরকৃত এজাহার তদন্ত সাপেক্ষে বেপরোয়া অসামাজিক স্বামী আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় গ্রহন না করে তবে আব্দুল কাদের কর্তৃক গৃহবধু নয়ন তারার পরিবারের মধ্যে শান্তি ভঙ্গের আশংকা রয়েছে। গৃহবধু নয়ন তারা ও তার বাবা ইমান আলী মা জরিনা বেগম হাসপাতাল বেডে সাংবাদিকদের জানান জামাতা আব্দুল কাদের একজন অসামাজিক প্রকৃতির লোক। যা কিছু উপার্জন করে তা জুয়া খেলা সহ নেশা খেয়ে শেষ করে।
ইতিপূর্বে গৃহবধু তার বাবা মায়ের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা স্বামী আব্দুল কাদেরকে দিয়েছিলেন। দাবীকৃত টাকা না দিতে পেরে গত ১৭ই নভেম্বর তাকে অমানবিক, অমানুষিকভাবে নির্যাতন করা হয়। তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশের নিকট আইনের সাহায্য কামনা করেন গৃহবধু নয়ন তারা ও তার অভিভাবক।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি














