চুরি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চুরি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৫ ডিসেম্বর ২০১৫

পীরগাছায় একরাতে প্রায় ১০ বাড়িতে শিং-খুঁড়লো দূর্বৃত্ত কারীরা


রংপুরের পীরগাছা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাশাপাশি দু’টি গ্রাম চন্ডিপুর ও পবিত্রঝাড়ের একাধিক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ১২ ই ডিসেম্বর শনিবার গভীর রাতে পবিত্রঝাড় গ্রামের আমজাদ হোসেন, শাহনুর মিয়া, আজিত মিয়া এবং চন্ডিপুর গ্রামের শহিদুল মিয়া, সহ আরও একাধিক বাড়িতে উক্ত চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘরের বেড়ার নিচে নিখুঁত ভাবে মাটি খূঁড়ে প্রায় ১০-১২ টি মোবাইল ফোন, টাকা ও আসবাবপত্র সহ গুর“ত্বপূর্ণ দ্রব্য সামগ্রী চুরি করে পালিয়ে যায় কতিপয় দূর্বৃত্তকারীরা।

চুরির স্থান ও অন্যান্য দিক বিবেচনা করে ধারণা করা হয়েছে চুরি কারীর সংখ্যা একাধিক হতে পারে । তবে ঘরে প্রবেশের শুরঙ্গ দেখে অনেকেই ধারনা করছেন, চুরিকারী ব্যাক্তি বয়সে অনেক ছোট হতে পারে, কেননা শুরঙ্গ গুলো ছিলো খুবই ছোট। কিন্তু চুরির ধরণ দেখে অনেকেই এটাকে কোন অভিজ্ঞ চোরের কাজ হতে পারে বলে ধারণা করছেন।

সবচেয়ে আশ্চর্য্য জনক হলেও সত্য, প্রতিটি বাড়িতেই লোকজন থাকা সত্যেও কেউই চুরির ঘটনা সঠিক সময়ে জানতে পারেন নি। সকলেই ছিলেন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। এদিকে একই সময়ে একাধিক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটায় এলাকাবাসীর মনে একপ্রকার আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই জানিয়েছেন, উক্ত এলাকায় অনেকদিন পরে হঠাৎ এমন ঘটনা সত্যিই পীড়া দায়ক। তবে উক্ত চুরির ঘটনায় আসল দূর্বৃত্তকারীরা কে বা কারা ছিল তা এখন পর্যন্ত পাওয়া জায়নি। এ ব্যাপারে পীরগাছা থানায় কোন প্রকার মামলাও করা হয়নি বলে জানা গেছে।


রিপোর্টারঃ মাসুদ রানা, ০১৭৮৫৪৪২০৭৯, ০১৭৭৩৪৬৯৪০৩

১৭ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছার অন্নদানগর থেকে বাজাজ মটরসাইকেল চুরি


পীরগাছার অন্নদানগর আশা ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার চন্দন সরকারের ব্যবহৃত বাজাজ সিটি ১০০ মটরসাইকেলটি গত ১৬ই নভেম্বর সোমবার ৬টা ২০মিনিটে অফিসের বারান্দা থেকে সঙ্গবদ্ধ চোরেরা কৌশলে চুরি করে নিয়ে কেটে পরে। অন্যান্য কর্মকর্তাদের মটোরসাইকেল রয়েছে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার চন্দন সরকারের মটরসাইকেলটি নেই। সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান করে মটরসাইকেলটি পাওয়া না গেলে মটরসাইকেরটির চুরির বিষয়ে পীরগাছা থানা ডিউটি অফিসারের নিকট চুরি যাওয়া মটরসাইকেলের বিষয়টি অবগত করেন।

অন্নদানগর এনজিও সংস্থা আশা ব্যাংক থেকে মটরসাইকেল চুরি যাওয়ায় অত্র অন্নদানগর এলাকার মটরসাইকেলের মালিকগন আতঙ্কিত। অন্নদানগর আশা ব্যাংকের ম্যানেজার চন্দন সরকার যাহার মোবাইল নং ০১৭৩০-৩১৩৪০৬। নিরাপদ নেই মটরসাইকেল ইহা যেমন সত্য অপরদিকে পীরগাছা বাজার উপজেলা পরিষদ, সোনালি ব্যাংকের মোড় সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক গোন্ডা নামীদামী চুরি যাওয়া মটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি করো পক্ষে, ইহাও সত্য।

মটরসাইকেলের সঙ্গবদ্ধ চোরের দলটি তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রত্যেক মাসে পীরগাছা উপজেলার যেকোন স্থান থেকে মটরসাইকেল চুরি করবেন ইহা তাদের রুটিনে পরিণত হয়েছে। পুলিশের যেমন রুটিন কখন ডিউটি করতে হবে,  সাংবাদিকদের দায়িত্ব যেমন সংবাদ সরবরাহ করে অফিসে পাঠানো তেমনি লক্ষ্য করা গেছে পীরগাছা উপজেলায় মটরসাইকেল চুরির বিষয়টি। এমন কোন মাস নেই যে পীরগাছা উপজেলার ৯ ইউনিয়নে যে কোন স্থান থেকে মটরসাইকেল চুরির খবর পাওয়া যায় নি।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

১৬ অক্টোবর ২০১৫

পীরগাছায় গভীর রাতে মসজিদের তালা ভেঙ্গে সোলারের ব্যাটারী চুরি

পীরগাছার ফড়িংগাপাড়ায় মসজিদের ব্যাটারি চুরি যাওয়ার বিষয় মুসল্লিদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং চোর যেই হোক না কেন তাকে খুজে বের করার জন্য মসজিদ কমিটি সহ এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ব্যাটারিটির অনুসন্ধান চালায় । মসজিদ কমিটির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, ইউপি সদস্য ডাঃ আবুল আখের, রেজাউল করিম সহ মুসল্লিরা সম্প্রতি তাদের মসজিদের চুরি যাওয়া সোলারের ব্যাটারিটি খুজে বের করতে অনুসন্ধান করতে থাকেন । এক পর্যায়ে গোপনে জানতে পারেন যে হাবিল মিয়া পিতা সাহার আলী গ্রামঃ পবিত্রঝাড় এর বাড়িতে ব্যাটারিটি রয়েছে ।

অবশেষে মসজিদ থেকে চুরি যাওয়া সোলারের ব্যাটারিটি উদ্ধার করা হল সাহার আলীর বাড়ি থেকে। অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে ব্যাটিরিটি যেহেতু পাওয়া গেল সাহার আলীর বাড়িতে সেই মর্মে সাহার আলীর পুত্র হাবিল ও রফিক পিতাঃ মৃত কাফাতুল্লহ এই ব্যাটারি চুরি যাওয়া সম্পর্কে বাস্তবেই প্রমান পাওয়া গেছে। বিষয়টি সুযোগ্য ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান রেজাকে অবগত করা হলে চেয়ারম্যান মসজিদের ব্যাটারি চুরি যাওযার ব্যাপারে কোন চোরের সঙ্গে আপস না করে আইনের আশ্রয় নেওয়া সহ চোরের বিরুদ্ধে মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন।

চোর নিজেই মসজিদের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে লোহার খাচার তালা ভেঙ্গে ছোলারের ব্যাটারিটি চুরি করে নিয়ে গেছে বলে থানা পুলিশকে জানান। পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলামের নিকট মামলার বাদী গিয়াস উদ্দিন সহ এলাকাবাসী পরামর্শ ও আইনের আশ্রয় নিতে গেলে ওসি মসজিদের তথা আল্লাহর ঘরের জরুরী জিনিস যেহেতু চোর চুরি করেছে এ বিষয়ে কোন ছাড় দিতে রাজি না। ওসি মামলার বাদি সহ উপস্থিত লোকজন কে মামলা করার জন্য সৎ পরামর্শ প্রদান করেন এবং আসামীদের সাজা হয় এই মর্মে এজাহারের বিষয়টি সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য দারোগাদেরকে পরামর্শ প্রদান করেন। এ ব্যাপারে পীরগাছা থানায় একটি চুরির মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা নং ১২ ।

থানা সুত্রে জানা গেছে, চুরি যাওয়া মালামাল সহকারে যেহেতু হাবিলকে আটক করা হয়েছে এবং চোরের বাড়ি থেকে মাল উদ্ধার করা হয়েছে সেই মর্মে মামলার ধারা এজাহারে ৪৫৭, ৩৮০, ৪৪১ বলে জানা গেছে। মসজিদের ভিতর থেকে মালামাল চুরি, মসজিদের মাইক চুরি, মসজিদের টাকা চুরি, নামাজিদের জুতা বা স্যান্ডেল চুরি ইহা আইনগত অসামাজিক অপরাধ।

বিবেচনা পূর্বক সাজা হওয়ার পূর্বে আপস মিমাংসা হওয়াটা স্বাভাবিক।  কাফাতুল্লাহর পুত্র রফিক, সাহার আলীর পুত্র হাবিল মিয়া একজন মুসলমান ঘরের সন্তান। চুরির অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। গ্রেফতার করেছে, জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে দোষী হতে পারে অথবা মানবিক কারনে যে কোন সময়ে আপস হতে পারে ।