১৬ অক্টোবর ২০১৫

পীরগাছায় গভীর রাতে মসজিদের তালা ভেঙ্গে সোলারের ব্যাটারী চুরি

পীরগাছার ফড়িংগাপাড়ায় মসজিদের ব্যাটারি চুরি যাওয়ার বিষয় মুসল্লিদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং চোর যেই হোক না কেন তাকে খুজে বের করার জন্য মসজিদ কমিটি সহ এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ব্যাটারিটির অনুসন্ধান চালায় । মসজিদ কমিটির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, ইউপি সদস্য ডাঃ আবুল আখের, রেজাউল করিম সহ মুসল্লিরা সম্প্রতি তাদের মসজিদের চুরি যাওয়া সোলারের ব্যাটারিটি খুজে বের করতে অনুসন্ধান করতে থাকেন । এক পর্যায়ে গোপনে জানতে পারেন যে হাবিল মিয়া পিতা সাহার আলী গ্রামঃ পবিত্রঝাড় এর বাড়িতে ব্যাটারিটি রয়েছে ।

অবশেষে মসজিদ থেকে চুরি যাওয়া সোলারের ব্যাটারিটি উদ্ধার করা হল সাহার আলীর বাড়ি থেকে। অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে ব্যাটিরিটি যেহেতু পাওয়া গেল সাহার আলীর বাড়িতে সেই মর্মে সাহার আলীর পুত্র হাবিল ও রফিক পিতাঃ মৃত কাফাতুল্লহ এই ব্যাটারি চুরি যাওয়া সম্পর্কে বাস্তবেই প্রমান পাওয়া গেছে। বিষয়টি সুযোগ্য ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান রেজাকে অবগত করা হলে চেয়ারম্যান মসজিদের ব্যাটারি চুরি যাওযার ব্যাপারে কোন চোরের সঙ্গে আপস না করে আইনের আশ্রয় নেওয়া সহ চোরের বিরুদ্ধে মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন।

চোর নিজেই মসজিদের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে লোহার খাচার তালা ভেঙ্গে ছোলারের ব্যাটারিটি চুরি করে নিয়ে গেছে বলে থানা পুলিশকে জানান। পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলামের নিকট মামলার বাদী গিয়াস উদ্দিন সহ এলাকাবাসী পরামর্শ ও আইনের আশ্রয় নিতে গেলে ওসি মসজিদের তথা আল্লাহর ঘরের জরুরী জিনিস যেহেতু চোর চুরি করেছে এ বিষয়ে কোন ছাড় দিতে রাজি না। ওসি মামলার বাদি সহ উপস্থিত লোকজন কে মামলা করার জন্য সৎ পরামর্শ প্রদান করেন এবং আসামীদের সাজা হয় এই মর্মে এজাহারের বিষয়টি সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য দারোগাদেরকে পরামর্শ প্রদান করেন। এ ব্যাপারে পীরগাছা থানায় একটি চুরির মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা নং ১২ ।

থানা সুত্রে জানা গেছে, চুরি যাওয়া মালামাল সহকারে যেহেতু হাবিলকে আটক করা হয়েছে এবং চোরের বাড়ি থেকে মাল উদ্ধার করা হয়েছে সেই মর্মে মামলার ধারা এজাহারে ৪৫৭, ৩৮০, ৪৪১ বলে জানা গেছে। মসজিদের ভিতর থেকে মালামাল চুরি, মসজিদের মাইক চুরি, মসজিদের টাকা চুরি, নামাজিদের জুতা বা স্যান্ডেল চুরি ইহা আইনগত অসামাজিক অপরাধ।

বিবেচনা পূর্বক সাজা হওয়ার পূর্বে আপস মিমাংসা হওয়াটা স্বাভাবিক।  কাফাতুল্লাহর পুত্র রফিক, সাহার আলীর পুত্র হাবিল মিয়া একজন মুসলমান ঘরের সন্তান। চুরির অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। গ্রেফতার করেছে, জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে দোষী হতে পারে অথবা মানবিক কারনে যে কোন সময়ে আপস হতে পারে ।

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিতে ফেসবুকে যোগাযোগ করুন