পুরাতন (ফাটা কম্পানির) কাপড় বিক্রি করে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ জন দরিদ্র মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছেন কয়েকবছর ধরে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য উক্ত ফাটা কম্পানির কাপড়গুলো বিক্রি করে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের পরিত্যাক্ত রেলের জমিতে। সম্প্রতি সময়ে রেলের বড় অফিসার আসবে বিধায় পীরগাছা রেল ষ্টেশন মাষ্টার উক্ত ফাটা কম্পানির শীত বস্ত্র বিক্রেতাদের অস্থায়ী দোকানগুলো সরানোর জন্য তাগীদ দেয়।
পীরগাছা ষ্টেশন মাষ্টারের কথা মতই উক্ত হতভাগারা তাদের অস্থায়ী দোকানের চালাগুলো সরিয়ে ফেলে। খোলা আকাশের নিচে বেচারারা ব্যবসা করছে এবং তাদের ক্রয়কৃত নতুন পুরাতন শীতবস্ত্রগুলো রোদে পুরে সন্ধার পর শীতে ভ্যাপসা ভ্যাপসা গন্ধ ছুটছে। খোলা আকাশের নিচে কাপড়ের শীতের কাপড়গুলো থাকার ফলে শীতবস্ত্র কিনতে আসা কাষ্টকামগন কাপড়গুলো ভেজা দেখে খরিদ করতে নারাজ। দোকানদারদের ব্যবসা ঠিকভাবে না হওয়ায় অপরদিকে খোলা আকাশের নিচে শীতের মধ্যে কাপড় খরিদ করতে খরিদদারগন না আসায় জীবিকা নির্বাহ করতে মারাত্মকভাবে হিমসিম খেতে হচ্ছে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদেরকে।
অর্থের অভাবে অনেক পরিবারের অভিভাবকগন সংসার চালাতে মারাত্মকভাবে হিমসিমে পড়ছেন। মানবিক কারনে পীরগাছা রেল ষ্টেশনে ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদের প্রতি সহানুভূতী দেখানো আশু প্রয়োজন রেল কর্তৃপক্ষের। আমাদের দেশের আওয়ামীলীগ সরকার সবসময় গরীবদের অগ্রাধীকার দিয়ে আসছেন। বড়ই পরিতাপের বিষয় পীরগাছা রেলষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের দোষ কি? অপরদিকে তাদের অপরাধ কি? তাদের পেটে লাথি মারা ব্যাতিত অন্য কিছু না।
অবিশ্বস্য হলেও সত্য যে, ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ৩শ গজের মধ্যে তথা পীরগাছা প্রেস ক্লাবের পূর্বে এক সময় শিয়ালের অবাধ বিচরন সহ কুকুর ও গরু ছাগল এর পায়খানায় ষ্টেশনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত করত। ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে ষ্টেশনের পরিবেশ বিশেষকরে শতশত মানুষের পাশাপাশি হাজারো দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলো পীরগাছা রেল ষ্টেশন থেকে স্বল্প মূলে বিভিন্ন রংবেরঙ্গের শীতবস্ত্র ক্রয় করত। ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের পাশে এসে দাড়ানোর জন্য পীরগাছা বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা, পীরগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতিরি সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লা আল মামুদ মিলন সহ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফছার আলী, পীরগাছা ৭নং ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তাফিজার রহমান রেজার শুভ নেক দৃষ্টি আশু প্রয়োজন।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
পীরগাছা ষ্টেশন মাষ্টারের কথা মতই উক্ত হতভাগারা তাদের অস্থায়ী দোকানের চালাগুলো সরিয়ে ফেলে। খোলা আকাশের নিচে বেচারারা ব্যবসা করছে এবং তাদের ক্রয়কৃত নতুন পুরাতন শীতবস্ত্রগুলো রোদে পুরে সন্ধার পর শীতে ভ্যাপসা ভ্যাপসা গন্ধ ছুটছে। খোলা আকাশের নিচে কাপড়ের শীতের কাপড়গুলো থাকার ফলে শীতবস্ত্র কিনতে আসা কাষ্টকামগন কাপড়গুলো ভেজা দেখে খরিদ করতে নারাজ। দোকানদারদের ব্যবসা ঠিকভাবে না হওয়ায় অপরদিকে খোলা আকাশের নিচে শীতের মধ্যে কাপড় খরিদ করতে খরিদদারগন না আসায় জীবিকা নির্বাহ করতে মারাত্মকভাবে হিমসিম খেতে হচ্ছে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদেরকে।
অর্থের অভাবে অনেক পরিবারের অভিভাবকগন সংসার চালাতে মারাত্মকভাবে হিমসিমে পড়ছেন। মানবিক কারনে পীরগাছা রেল ষ্টেশনে ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদের প্রতি সহানুভূতী দেখানো আশু প্রয়োজন রেল কর্তৃপক্ষের। আমাদের দেশের আওয়ামীলীগ সরকার সবসময় গরীবদের অগ্রাধীকার দিয়ে আসছেন। বড়ই পরিতাপের বিষয় পীরগাছা রেলষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের দোষ কি? অপরদিকে তাদের অপরাধ কি? তাদের পেটে লাথি মারা ব্যাতিত অন্য কিছু না।
অবিশ্বস্য হলেও সত্য যে, ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ৩শ গজের মধ্যে তথা পীরগাছা প্রেস ক্লাবের পূর্বে এক সময় শিয়ালের অবাধ বিচরন সহ কুকুর ও গরু ছাগল এর পায়খানায় ষ্টেশনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত করত। ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে ষ্টেশনের পরিবেশ বিশেষকরে শতশত মানুষের পাশাপাশি হাজারো দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলো পীরগাছা রেল ষ্টেশন থেকে স্বল্প মূলে বিভিন্ন রংবেরঙ্গের শীতবস্ত্র ক্রয় করত। ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের পাশে এসে দাড়ানোর জন্য পীরগাছা বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা, পীরগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতিরি সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লা আল মামুদ মিলন সহ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফছার আলী, পীরগাছা ৭নং ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তাফিজার রহমান রেজার শুভ নেক দৃষ্টি আশু প্রয়োজন।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
