১৭ ডিসেম্বর ২০১৫

পীরগাছার কাউনিয়ায় কুনিও হত্যায় জড়িত তিনজনই জেএমবির

রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত তিনজনকে শনাক্তের দাবি করেছে পুলিশ। তাঁরা নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য। তিনজনই পুলিশি হেফাজতে আছেন। এর মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হুমায়ুন কবীর এসব তথ্য জানান। কুনিও হত্যাকাণ্ড ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে এই প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলো জেএমবির কাজ বলে জানান ডিআইজি।
ডিআইজি বলেন, কুনিও হোশিকে গুলি করেন রংপুরের পীরগাছা-কাউনিয়া অঞ্চলে জেএমবির কমান্ডার মাসুদ রানা (৩৩)। অস্ত্র সরবরাহ করেন জেএমবির আরেক কমান্ডার ইছহাক আলী (৩২)। সঙ্গে ছিলেন পীরগাছার এহসার সদস্য খয়বর হোসেন (৩৪)। তাঁদের সবার বাড়ি পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের পশুয়া টাঙ্গাইল ও হাতিবান্ধা গ্রামে।

ডিআইজি হুমায়ুন কবীর বলেন, ইছহাক গত সোমবার সন্ধ্যার পর দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি জেএমবির অস্ত্রের জিম্মাদার। কুনিও হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলটি তাঁর কাছ থেকে নেন মাসুদ। মাসুদ ও খয়বরের সঙ্গে তিনি মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে যান। এরপর কুনিওকে গুলি করেন মাসুদ। ডিআইজি বলেন, ইছহাক জানিয়েছেন, তিনি ২০০৬ সালে ইরাকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

ডিআইজি বলেন, গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী জেএমবি। গ্রেপ্তার হওয়া মাসুদ এর আগে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে কুনিও হত্যা, কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলীকে হত্যা ও বাহাই সম্প্রদায়ের নেতা রুহুল আমিনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে তিনটি মোটরসাইকেল, একটি পিস্তল, একটি এসএমজি, একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

মাসুদকে ৩ ডিসেম্বর পীরগাছা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে ৭ ডিসেম্বর খয়বরকে ও ৮ ডিসেম্বর ইছহাককে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিআইজি বলেন, রংপুর ও দিনাজপুরে বিভিন্ন জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বীকারোক্তি ও তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার জন্য জেএমবি এসব ঘটনা ঘটায়। তবে হামলার পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা, উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিআইজি কোনো মন্তব্য করেননি।

গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুরে কমপক্ষে আটটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে।  ৩ অক্টোবর কুনিওকে হত্যার পরপর পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন কুনিওর ব্যবসায়িক সহযোগী হুমায়ুন কবির ওরফে হিরা, রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য রাশেদ-উন-নবী খান ওরফে বিপ্লব, মহানগর যুবদলের সদস্য রাজীব হাসান ওরফে মেরিল সুমন, শহরের জুম্মাপাড়ার নওশাদ হোসেন ওরফে ব্ল্যাক রুবেল ও শালবন মিস্ত্রিপাড়ার কাজল চন্দ্র বর্মণ ওরফে ভরসা কাজল। তবে পুলিশ এখন বলছে, জেএমবি ওই হামলার জন্য দায়ী।

এ পরিপ্রেক্ষিতে আগে গ্রেপ্তার দেখানো পাঁচজনের কী হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, আগের ঘটনাবলি ও নানা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এখন পর্যন্ত তাঁদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পুরোপুরি তদন্তের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সোর্সঃ ওয়েব

১৬ ডিসেম্বর ২০১৫

পীরগাছা রেল ষ্টেশনের কাপড় বিক্রেতাদের প্রতি অমানবিক আচরন

পুরাতন (ফাটা কম্পানির) কাপড় বিক্রি করে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ জন দরিদ্র মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছেন কয়েকবছর ধরে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য উক্ত ফাটা কম্পানির কাপড়গুলো বিক্রি করে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের পরিত্যাক্ত রেলের জমিতে। সম্প্রতি সময়ে রেলের বড় অফিসার আসবে বিধায় পীরগাছা রেল ষ্টেশন মাষ্টার উক্ত ফাটা কম্পানির শীত বস্ত্র বিক্রেতাদের অস্থায়ী দোকানগুলো সরানোর জন্য তাগীদ দেয়।

পীরগাছা ষ্টেশন মাষ্টারের কথা মতই উক্ত হতভাগারা তাদের অস্থায়ী দোকানের চালাগুলো সরিয়ে ফেলে। খোলা আকাশের নিচে বেচারারা ব্যবসা করছে এবং তাদের ক্রয়কৃত নতুন পুরাতন শীতবস্ত্রগুলো রোদে পুরে সন্ধার পর শীতে ভ্যাপসা ভ্যাপসা গন্ধ ছুটছে। খোলা আকাশের নিচে কাপড়ের শীতের কাপড়গুলো থাকার ফলে শীতবস্ত্র কিনতে আসা কাষ্টকামগন কাপড়গুলো ভেজা দেখে খরিদ করতে নারাজ। দোকানদারদের ব্যবসা ঠিকভাবে না হওয়ায় অপরদিকে খোলা আকাশের নিচে শীতের মধ্যে কাপড় খরিদ করতে খরিদদারগন না আসায় জীবিকা নির্বাহ করতে মারাত্মকভাবে হিমসিম খেতে হচ্ছে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদেরকে।

অর্থের অভাবে অনেক পরিবারের অভিভাবকগন সংসার চালাতে মারাত্মকভাবে হিমসিমে পড়ছেন। মানবিক কারনে পীরগাছা রেল ষ্টেশনে ফাটা কম্পানির কাপড় ব্যবসায়ীদের প্রতি সহানুভূতী দেখানো আশু প্রয়োজন রেল কর্তৃপক্ষের। আমাদের দেশের আওয়ামীলীগ সরকার সবসময় গরীবদের অগ্রাধীকার দিয়ে আসছেন। বড়ই পরিতাপের বিষয় পীরগাছা রেলষ্টেশনের ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের দোষ কি? অপরদিকে তাদের অপরাধ কি? তাদের পেটে লাথি মারা ব্যাতিত অন্য কিছু না।

অবিশ্বস্য হলেও সত্য যে, ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে পীরগাছা রেল ষ্টেশনের ৩শ গজের মধ্যে তথা পীরগাছা প্রেস ক্লাবের পূর্বে এক সময় শিয়ালের অবাধ বিচরন সহ কুকুর ও গরু ছাগল এর পায়খানায় ষ্টেশনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত করত। ফাটা কম্পানির কাপড়ের দোকান দেওয়ার ফলে ষ্টেশনের পরিবেশ বিশেষকরে শতশত মানুষের পাশাপাশি হাজারো দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলো পীরগাছা রেল ষ্টেশন থেকে স্বল্প মূলে বিভিন্ন রংবেরঙ্গের শীতবস্ত্র ক্রয় করত। ফাটা কম্পানির কাপড় বিক্রেতাদের পাশে এসে দাড়ানোর জন্য পীরগাছা বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা, পীরগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতিরি সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লা আল মামুদ মিলন সহ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফছার আলী, পীরগাছা ৭নং ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তাফিজার রহমান রেজার শুভ নেক দৃষ্টি আশু প্রয়োজন।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

পীরগাছায় জেএমবি নেতা রিমান্ডে, গুরত্ব পূর্ণ তথ্য প্রদান


রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় নামে-বেনামে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে খোলস পাল্টিয়ে নতুন করে সংগঠিত হচ্ছে জেএমবি। সম্প্রতি জেএমবির সামরিক শাখার দুই শীর্ষ নেতা বিষ্ফোরক ও অস্ত্র সহ গ্রেফতারের পর বেড়িয়ে আসছে নতুন নতুন তথ্য। ফলে বড় ধরনের নাশকতার আশংকায় শংকিত হয়ে পড়েছেন উপজেলা বাসী। এদিকে পীরগাছা থানায় ৭ দিনের রিমান্ডে থাকা জেএমবি নেতা খয়বর আলম গত সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের দ্বিতীয় দিনে পুলিশের নিকট গুর“ত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আইন-শৃংখলা বাহিনীর তেমন কোন তৎপরতা না থাকায় এ-উপজেলাকে নিরাপদ ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করছে জেএমবি। তারা কল্যানী ইউনিয়নের পশুয়া, তাম্বুলপুর ও ছাওলা ইউনিয়নের দূর্গম চরাঞ্চল এবং কান্দি ইউনিয়নের নিভৃত পল্লীর লোকদের ধর্মভীরুতার সুযোগ নিয়ে গোপনে তাদের দাওয়াতি কার্যক্রম চালাচ্ছে। তারা ওইসব এলাকার মানুষকে ধর্ম শিক্ষাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে সংগঠিত করছে।

একাধিক সূত্রঃ থেকে পাওয়া তথ্যে আরো জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক প্রশিক্ষিত জেএমবি সদস্য তাদের দাওয়াতি কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছে। তারা বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে পাঠাগার, কোচিং সেন্টার, ক্যাডেট মাদ্রাসা বানিয়ে অর্থ সংগ্রহ সহ সমর্থক তৈরী করছে। এছাড়া ও সুকৌশলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও জন প্রতিনিধিদের ওয়াজ মাহফিল এবং ইসলামী সংগীতানুষ্ঠানে অতিথি বানিয়ে সাধারন মানুষের দৃষ্টি কারার চেষ্টা চালায়।

তারা কল্যানী ইউনিয়নের পশুয়ার টাঙ্গাইল পাড়া গ্রামে অবস্থিত রিভাই ভাল অব ইসলামিক হেরিটেজ সোসাইটি-কুয়েত’র অর্থায়নে নির্মিত মসজিদকে কেন্দ্র করে জেএমবি’র কার্যক্রম চালাতে থাকলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী দীর্ঘ দিন ধরে পলাতক ওই এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে মাসুদ রানাকে আটক করে। পরে সে পুলিশের নিকট জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি’কে নিজ হাতে গুলি এবং কাউনিয়া উপজেলার পীরের মাজার খাদেম আওয়ামীলীগ নেতা রহমত আলীকে ধারালো ছোরা দিয়ে গলাকেটে হত্যা সহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের পিএস বাহাই সম্প্রদায়ের নেতা রুহুল আমীনকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করার কথা স্বীকার করে।

পরবর্তিতে যৌথ বাহিনী তাকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে ৫৪টি হাতবোমা তৈরীর সরঞ্জাম, বিষ্ফোরক দ্রব্য ও ৩টি ধারালো ছোরা উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর পীরগাছা ও কাউনিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলায় তাকে আসামী করা হয়। ওই মামলা দায়েরের পর পীরগাছা থানা পুলিশ ৮ ডিসেম্বর বিকেলে পশুয়া হাতিবান্ধা গ্রাম থেকে অপর জে এম বি নেতা খয়বর আলমকে আটক করে। পরে তাকে বিষ্ফারক মামলার আসামী হিসেবে জেল-হাজতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বর্তমানে জেএমবি নেতা খয়বর আলম পীরগাছা থানায় পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন।

পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ রিমান্ডে থাকা খয়বর আলম পুলিশের জ্ঞিাসাবাদে গুরুত্ব পূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তা এখন প্রকাশ করা সম্ভব নয় ঐ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

রিপোর্টারঃ কাজী শহীদুল ইসলাম

১৫ ডিসেম্বর ২০১৫

পীরগাছায় একরাতে প্রায় ১০ বাড়িতে শিং-খুঁড়লো দূর্বৃত্ত কারীরা


রংপুরের পীরগাছা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাশাপাশি দু’টি গ্রাম চন্ডিপুর ও পবিত্রঝাড়ের একাধিক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ১২ ই ডিসেম্বর শনিবার গভীর রাতে পবিত্রঝাড় গ্রামের আমজাদ হোসেন, শাহনুর মিয়া, আজিত মিয়া এবং চন্ডিপুর গ্রামের শহিদুল মিয়া, সহ আরও একাধিক বাড়িতে উক্ত চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘরের বেড়ার নিচে নিখুঁত ভাবে মাটি খূঁড়ে প্রায় ১০-১২ টি মোবাইল ফোন, টাকা ও আসবাবপত্র সহ গুর“ত্বপূর্ণ দ্রব্য সামগ্রী চুরি করে পালিয়ে যায় কতিপয় দূর্বৃত্তকারীরা।

চুরির স্থান ও অন্যান্য দিক বিবেচনা করে ধারণা করা হয়েছে চুরি কারীর সংখ্যা একাধিক হতে পারে । তবে ঘরে প্রবেশের শুরঙ্গ দেখে অনেকেই ধারনা করছেন, চুরিকারী ব্যাক্তি বয়সে অনেক ছোট হতে পারে, কেননা শুরঙ্গ গুলো ছিলো খুবই ছোট। কিন্তু চুরির ধরণ দেখে অনেকেই এটাকে কোন অভিজ্ঞ চোরের কাজ হতে পারে বলে ধারণা করছেন।

সবচেয়ে আশ্চর্য্য জনক হলেও সত্য, প্রতিটি বাড়িতেই লোকজন থাকা সত্যেও কেউই চুরির ঘটনা সঠিক সময়ে জানতে পারেন নি। সকলেই ছিলেন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। এদিকে একই সময়ে একাধিক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটায় এলাকাবাসীর মনে একপ্রকার আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই জানিয়েছেন, উক্ত এলাকায় অনেকদিন পরে হঠাৎ এমন ঘটনা সত্যিই পীড়া দায়ক। তবে উক্ত চুরির ঘটনায় আসল দূর্বৃত্তকারীরা কে বা কারা ছিল তা এখন পর্যন্ত পাওয়া জায়নি। এ ব্যাপারে পীরগাছা থানায় কোন প্রকার মামলাও করা হয়নি বলে জানা গেছে।


রিপোর্টারঃ মাসুদ রানা, ০১৭৮৫৪৪২০৭৯, ০১৭৭৩৪৬৯৪০৩

পীরগাছার কল্যাণী ইউনিয়নে আগামী ২১শে ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন


কল্যাণী ইউনিয়নের ১৩ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। উক্ত নির্বাচনে আব্দুল জলিল সরকার সহ ৫জন চেয়ারম্যন প্রার্থী অংশগ্রহন করেছেন। গত ১৪ই ডিসেম্বর সোমবার কল্যাণী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে নির্বাচনী বিধিমালা এবং ২১শে ডিসেম্বর কল্যাণী ইউনিয়নে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এর লক্ষ্যে প্রশাসনের আয়োজিত নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী চেয়ারম্যন মেম্বার সংরক্ষিত মহিলা আসনের অংশগ্রহনকারীদের নিয়ে এক আলচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনী আলোচনা সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ আলিয়া ফেরদৌস জাহান, রংপুর অঞ্চলের নির্বাচনী উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম। আইন শৃক্সখলার বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন অফিসার এটিএম সেলিম, আনছার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ নাজিম উদ্দিন, রংপুর জেলার মহানগর সুজন, সভাপতি বৈশাখী টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক মোঃ আফতাফ উদ্দিন, কল্যাণি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ কাওছার আলম।

বিভিন্ন সমস্যা ও দাবীদাওয়া তুলে ধরে চেয়রম্যান প্রার্থীদের মধ্যে মতবিনিময় করেন অটোরিক্সা মার্কার চেয়ারম্যন প্রার্থী মোঃ আব্দুল জলিল সরকার। মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শফিকুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ, মোসলেম উদ্দিন, জবেদ আলী সহ আরো অনেকে। মোট ৫২ জন প্রার্থী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন।

অনুষ্ঠানের মধ্যমনি সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ আলিয়া ফেরদৌস জাহান, পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন আপনারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করবেন এই প্রত্যাশা আমরা করি। নির্বাচন চলাকালিন কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটলে তাহা আমরা আইগতভাবে মোকাবেলা করব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরো বলা হয় নির্বাচন শুধুমাত্র সারা বাংলাদেশের মধ্যে একটি ইউনিয়নে নির্বাচন হচ্ছে। যাহা রংপুর জেলার ৭৭টি ইউনিয়নের মধ্যে পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নে। পাশেই রংপুর শহর। আমাদের কোন অসুবিধা হবে না। মোবাইল টিম, ম্যাজিষ্ট্রেট, পুলিশ, আনছার সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করবেন। কেহ যদি কোন কেন্দ্রে অথবা ভোট চলাকালিন কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল টিম আইনগত ব্যবস্থা কঠোর ভাবে গ্রহন করবেন।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি