রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত তিনজনকে শনাক্তের দাবি করেছে পুলিশ। তাঁরা নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য। তিনজনই পুলিশি হেফাজতে আছেন। এর মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হুমায়ুন কবীর এসব তথ্য জানান। কুনিও হত্যাকাণ্ড ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে এই প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলো জেএমবির কাজ বলে জানান ডিআইজি।
ডিআইজি বলেন, কুনিও হোশিকে গুলি করেন রংপুরের পীরগাছা-কাউনিয়া অঞ্চলে জেএমবির কমান্ডার মাসুদ রানা (৩৩)। অস্ত্র সরবরাহ করেন জেএমবির আরেক কমান্ডার ইছহাক আলী (৩২)। সঙ্গে ছিলেন পীরগাছার এহসার সদস্য খয়বর হোসেন (৩৪)। তাঁদের সবার বাড়ি পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের পশুয়া টাঙ্গাইল ও হাতিবান্ধা গ্রামে।
ডিআইজি হুমায়ুন কবীর বলেন, ইছহাক গত সোমবার সন্ধ্যার পর দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি জেএমবির অস্ত্রের জিম্মাদার। কুনিও হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলটি তাঁর কাছ থেকে নেন মাসুদ। মাসুদ ও খয়বরের সঙ্গে তিনি মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে যান। এরপর কুনিওকে গুলি করেন মাসুদ। ডিআইজি বলেন, ইছহাক জানিয়েছেন, তিনি ২০০৬ সালে ইরাকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
ডিআইজি বলেন, গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী জেএমবি। গ্রেপ্তার হওয়া মাসুদ এর আগে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে কুনিও হত্যা, কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলীকে হত্যা ও বাহাই সম্প্রদায়ের নেতা রুহুল আমিনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে তিনটি মোটরসাইকেল, একটি পিস্তল, একটি এসএমজি, একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মাসুদকে ৩ ডিসেম্বর পীরগাছা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে ৭ ডিসেম্বর খয়বরকে ও ৮ ডিসেম্বর ইছহাককে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিআইজি বলেন, রংপুর ও দিনাজপুরে বিভিন্ন জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বীকারোক্তি ও তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার জন্য জেএমবি এসব ঘটনা ঘটায়। তবে হামলার পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা, উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিআইজি কোনো মন্তব্য করেননি।
গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুরে কমপক্ষে আটটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ৩ অক্টোবর কুনিওকে হত্যার পরপর পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন কুনিওর ব্যবসায়িক সহযোগী হুমায়ুন কবির ওরফে হিরা, রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য রাশেদ-উন-নবী খান ওরফে বিপ্লব, মহানগর যুবদলের সদস্য রাজীব হাসান ওরফে মেরিল সুমন, শহরের জুম্মাপাড়ার নওশাদ হোসেন ওরফে ব্ল্যাক রুবেল ও শালবন মিস্ত্রিপাড়ার কাজল চন্দ্র বর্মণ ওরফে ভরসা কাজল। তবে পুলিশ এখন বলছে, জেএমবি ওই হামলার জন্য দায়ী।
এ পরিপ্রেক্ষিতে আগে গ্রেপ্তার দেখানো পাঁচজনের কী হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, আগের ঘটনাবলি ও নানা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এখন পর্যন্ত তাঁদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পুরোপুরি তদন্তের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোর্সঃ ওয়েব
গতকাল মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হুমায়ুন কবীর এসব তথ্য জানান। কুনিও হত্যাকাণ্ড ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে এই প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলো জেএমবির কাজ বলে জানান ডিআইজি।
ডিআইজি বলেন, কুনিও হোশিকে গুলি করেন রংপুরের পীরগাছা-কাউনিয়া অঞ্চলে জেএমবির কমান্ডার মাসুদ রানা (৩৩)। অস্ত্র সরবরাহ করেন জেএমবির আরেক কমান্ডার ইছহাক আলী (৩২)। সঙ্গে ছিলেন পীরগাছার এহসার সদস্য খয়বর হোসেন (৩৪)। তাঁদের সবার বাড়ি পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের পশুয়া টাঙ্গাইল ও হাতিবান্ধা গ্রামে।
ডিআইজি হুমায়ুন কবীর বলেন, ইছহাক গত সোমবার সন্ধ্যার পর দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি জেএমবির অস্ত্রের জিম্মাদার। কুনিও হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলটি তাঁর কাছ থেকে নেন মাসুদ। মাসুদ ও খয়বরের সঙ্গে তিনি মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে যান। এরপর কুনিওকে গুলি করেন মাসুদ। ডিআইজি বলেন, ইছহাক জানিয়েছেন, তিনি ২০০৬ সালে ইরাকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
ডিআইজি বলেন, গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের নাশকতার ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী জেএমবি। গ্রেপ্তার হওয়া মাসুদ এর আগে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে কুনিও হত্যা, কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলীকে হত্যা ও বাহাই সম্প্রদায়ের নেতা রুহুল আমিনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে তিনটি মোটরসাইকেল, একটি পিস্তল, একটি এসএমজি, একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মাসুদকে ৩ ডিসেম্বর পীরগাছা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে ৭ ডিসেম্বর খয়বরকে ও ৮ ডিসেম্বর ইছহাককে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিআইজি বলেন, রংপুর ও দিনাজপুরে বিভিন্ন জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বীকারোক্তি ও তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার জন্য জেএমবি এসব ঘটনা ঘটায়। তবে হামলার পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা, উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিআইজি কোনো মন্তব্য করেননি।
গত কয়েক মাসে রংপুর ও দিনাজপুরে কমপক্ষে আটটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ৩ অক্টোবর কুনিওকে হত্যার পরপর পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন কুনিওর ব্যবসায়িক সহযোগী হুমায়ুন কবির ওরফে হিরা, রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য রাশেদ-উন-নবী খান ওরফে বিপ্লব, মহানগর যুবদলের সদস্য রাজীব হাসান ওরফে মেরিল সুমন, শহরের জুম্মাপাড়ার নওশাদ হোসেন ওরফে ব্ল্যাক রুবেল ও শালবন মিস্ত্রিপাড়ার কাজল চন্দ্র বর্মণ ওরফে ভরসা কাজল। তবে পুলিশ এখন বলছে, জেএমবি ওই হামলার জন্য দায়ী।
এ পরিপ্রেক্ষিতে আগে গ্রেপ্তার দেখানো পাঁচজনের কী হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, আগের ঘটনাবলি ও নানা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এখন পর্যন্ত তাঁদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পুরোপুরি তদন্তের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোর্সঃ ওয়েব




