১৭ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স


ছবিটি পীরগাছার মেডিকেল এলাকা থেকে তোলা হয়েছে । এই পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পীরগাছার একমাত্র হাসপাতাল। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির কাজ সম্পন্ন হলেও পুরোদমে সবগুলো ভবন চালু হয়নি।

স্থানঃ মেডিকেল, পীরগাছা, রংপুর
সময়ঃ বিকাল ০৫: ৩০
তারিখঃ ১লা জুলাই ২০১৫ ইং
ছবিঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

পীরগাছার অন্নদানগর থেকে বাজাজ মটরসাইকেল চুরি


পীরগাছার অন্নদানগর আশা ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার চন্দন সরকারের ব্যবহৃত বাজাজ সিটি ১০০ মটরসাইকেলটি গত ১৬ই নভেম্বর সোমবার ৬টা ২০মিনিটে অফিসের বারান্দা থেকে সঙ্গবদ্ধ চোরেরা কৌশলে চুরি করে নিয়ে কেটে পরে। অন্যান্য কর্মকর্তাদের মটোরসাইকেল রয়েছে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার চন্দন সরকারের মটরসাইকেলটি নেই। সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান করে মটরসাইকেলটি পাওয়া না গেলে মটরসাইকেরটির চুরির বিষয়ে পীরগাছা থানা ডিউটি অফিসারের নিকট চুরি যাওয়া মটরসাইকেলের বিষয়টি অবগত করেন।

অন্নদানগর এনজিও সংস্থা আশা ব্যাংক থেকে মটরসাইকেল চুরি যাওয়ায় অত্র অন্নদানগর এলাকার মটরসাইকেলের মালিকগন আতঙ্কিত। অন্নদানগর আশা ব্যাংকের ম্যানেজার চন্দন সরকার যাহার মোবাইল নং ০১৭৩০-৩১৩৪০৬। নিরাপদ নেই মটরসাইকেল ইহা যেমন সত্য অপরদিকে পীরগাছা বাজার উপজেলা পরিষদ, সোনালি ব্যাংকের মোড় সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক গোন্ডা নামীদামী চুরি যাওয়া মটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি করো পক্ষে, ইহাও সত্য।

মটরসাইকেলের সঙ্গবদ্ধ চোরের দলটি তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রত্যেক মাসে পীরগাছা উপজেলার যেকোন স্থান থেকে মটরসাইকেল চুরি করবেন ইহা তাদের রুটিনে পরিণত হয়েছে। পুলিশের যেমন রুটিন কখন ডিউটি করতে হবে,  সাংবাদিকদের দায়িত্ব যেমন সংবাদ সরবরাহ করে অফিসে পাঠানো তেমনি লক্ষ্য করা গেছে পীরগাছা উপজেলায় মটরসাইকেল চুরির বিষয়টি। এমন কোন মাস নেই যে পীরগাছা উপজেলার ৯ ইউনিয়নে যে কোন স্থান থেকে মটরসাইকেল চুরির খবর পাওয়া যায় নি।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

১৬ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছার হরিরাম গ্রামে জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত


গত ১৫ই নভেম্বর রবিরার রংপুর জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত আওয়ামীলীগ সরকারের সাফল্য অর্জন উন্নয়ন ভাবনা সম্পর্কে জনগনকে অবহিত করণ সম্পর্কিত করণের লক্ষ্যে এক বিশাল মহিলা সমাবেশ পীরগাছার ছাওলা ইউনিয়নের হরিরাম নামক মৌজার দেলোয়ার হোমেন এফতেদায়ী মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের মধ্যমণি পীরগাছা উপজেলা সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার মোছাঃ আলিয়া ফেরদৌস জাহান প্রধান অতিথি হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। জেলা তথ্য সিনিয়র অফিসার মোঃ হুমায়ন কবিরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির আসনে সরকারের সফল্য এলাকার আইন শৃক্সখলার বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা হেলেন, ৫নং ছাওলা ইউনিয়নের সুযোগ্য ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নাজির হোসেন। উপজেলা জন স্বাস্থ্য প্রকৌশলি অফিসের আলহাজ্ব মোবারক হোসেন, দৈনিক পরিবেশের পীরগাছা প্রতিনিধি সাংবাদিক তোজাম্মেল হক মুন্সি দিক নির্দেশন মূলক বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে জেলা তথ্য অফিসের আলমগীর হোসেন বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠান শুরুর পূর্বে পবিত্র কোরআন তোলেয়াত করেন মিশু বেগম। অতিথি ও বক্তাদের আলোচনা শেষে সমাবেশে অংশগ্রহনকারী মহিলাদের সমস্যা ও দাবীদাওয়া তুলে ধরে মুক্ত হতদরিদ্র মহিলাদের মাঝে আলোচনা করেন সুফিয়া, আয়শা, আশুরা বেগম, হালিমা, কাজুলী খাতুন, লাইলী বেগম, জনপ্রতিনিধি উপজেলা পরিষদের মহিলা সদস্যা সামিনা বেগম সহ আরো অনেকে। অসহায় দরিদ্র হরিরাম গ্রামের মহিলাদের দাবির মধ্যে ছিলো ল্যাট্রিন ও নলকুপ। বিশেষ করে অত্র হরিরাম গ্রামের শতাধিক বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের স্কুল পড়–য়া সন্তানরা পড়াশুনা করতে মারাত্নক হিমশিমে পরতে হয়। এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী তাদের পল্লী পাড়াগায়ে পল্লীবিদ্যুৎএর আলো যেন আসে।

অনুষ্ঠানের মধ্যমণি প্রধান অতিথি সকারের সাফল্য বাস্তবে পরিণত হচ্ছে এবং উন্নয়ন হচ্ছে এ সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন আপনারা আপনাদের সন্তানদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে মানুষের মত মানুষ গড়ে তোলেন। প্রধান অথিতি আরো বলেন বাল্য বিবাহ রোধ করতেই হবে। অপরদিকে ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, আপনাদের কোন সন্তান যেন নেশার জগতে না যায়, বিশেষ করে ইভটিজিং সহ অন্যান্য অসামাজিক অপরাধগুলো এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ।

অনুষ্ঠান শেষে ৬টা ৫মিনিটে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাওলা ইউনিয়ন পরিষদে গমন করেন। সেখানে তিনি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত। সমিতির সভাপতি সম্পাদকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন উপজেলা সম্বয়কারী শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন। সন্ধা ৬ টা ৪৪ মিনিটে ছাওলা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যলয়ে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাৎসরিক অডিট করেন। অডিট চলাকালিন কিছু ত্রুটি রয়েছে বলে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আমজাদ হোসেন সহ ৫ নং ছাওলা ইউনিয়নের তথ্যে নিয়োজিত জিয়াউর রহমান জিয়াকে সতর্ক করে দেন। অডিট চলাকালীন সময়ে ইউপি চেয়ারম্যন নাজির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বড়ই আনন্দের বিষয় কাছে থেকে লক্ষ্য করা গেছে পল্লী পাড়াগায়ে জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানটিতে শত শত মহিলাদের পাশেই দর্শকের সারিতে বসে থেকে অনুষ্ঠান উপভোগ করেন ছাওলা ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান নাজির হোসেনের গৃহবধু রোকেয়া পারভিন। মহিলা সমাবেশে অংশগ্রহণকারী সচেতন মহিলাদের দাবী এ ধরণের অনুষ্ঠান আমারা যদি বছরে বা ৬ মাসে প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাদের সুন্দর সুন্দর মুখের বাণী শ্রবণ করি তাহলে আমাদের সমাজের অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। জেলা তথ্য অফিসার পল্লী পাড়াগায়ে এই অনুষ্ঠানগুলো করবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

১৫ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্ভোধন


পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ শাহ মোঃ হুমায়ুন কবীর গত ১৪ই নভেম্বর জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ভোধন করলেন। এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফছার আলী। পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোঃ সোহরাব হোসেন, পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআই মোঃ নুরুল হক এমটি, এএইচআই মোঃ আব্দুল হালিম সরকার, স্বাস্থ্য সহকারী মোছাঃ মনোয়ারা বেগম, মোঃ জহুরুল ইসলাম পঃবিঃ, সিভিল সার্জেন্ট প্রতিনিধি মাহবুবা ফেরদৌসি।

আনুষ্ঠানিকভাবে সকাল ৯টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন পীরগাছা ইউনিয়নের অনন্তরাম মৌজার মরহুম হাসান মিলেটারির বাড়ির উঠানে এ ক্যাম্পের উদ্ভোধন করা হয়। যথা সময়ে উদ্ভোদন অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ক্যাম্পে আসা অভিভাবকরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রতি ভুয়সী প্রসংশা করেন।

উল্লেখ্য যে সরকারী অনুষ্ঠানগুলো যথাসময়ে করার কথা থাকলেও অনেক সময়ে সময়ের মুল্যায়ন করা হয় না। কিন্তু গত শনিবার পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ৯টার পূর্বে ক্যাম্পে উপস্থিত দেখে সাধারন লোকজন তাদের প্রতি অভিনন্দন জানান। সময়ের মূল্য এবং সময় সূচী অনুযায়ী সরকারী কাজগুলো যদি করা হতো তাহলে আমাদের দেশের তথা সমাজের উন্নয়নের কাজগুলো অনেক ধাপে এগিয়ে যেতো। পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের গোটা উপজেলায় শন্তিপূর্ণ পরিবেশে সমাপ্তি করবেন বলে আশাবাদি।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি












১২ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছায় গত কয়েকদিনে ৫০ জন জামত শিবিরের নেতাকর্মী গ্রেফতার

পীরগাছা থানা পুলিশের ঝটিকা অভিযানে কমপক্ষে ৫০ জন জামাত শিবিরের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার। জেল হাজতে প্রেরণ করায় শতশত জামাত বিএনপির নেতা কর্মীরা বাড়িতে রাত্রিযাপন না করে বিভিন্ন আত্নীয় স্বজন বিশেষ করে গরীব মানুষের বাড়ি ঘরে গিয়ে রাত্রি যাপন করছে বলে বিভিন্ন ভাবে এ প্রতিনিধি অবগত হয়েছেন।

জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নির্দেশে পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম পীরগাছা থানা এলাকার অপরাধ মুক্ত সমাজ গড়তে নাশকতা এড়াতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে গত কয়েকদিনধরে নাশকতার অভিযোগে জামাত শিবিরের নেতাকমীদেরকে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে প্রেরণ করেন। অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম স্বয়ং নিজে তথা ওসি তদন্ত নাজমুল হাসান সেকেন্ড অফিসার তাজুল, এসআই শরিফুল, এসআই ওবাইদুল, এসআই মালেক, এসআই সাহাব উদ্দিন, এসআই সাইদুর, এসআই সবুজ, এএসআই মমিনুর সহ সকল পুলিশ অফিসার, পুলিশ ফোর্স অভিযানে অংশ নেন। সারা রাত ব্যাপি অভিযানে নাশকতার অভিযোগ সহ ২৮ শে ফেব্রুয়ারী পুলিশ কনষ্টেবল মোজাহার আলী হত্যার গ্রেফতারী পরওয়ানার আসামীদেরকে অভিনব কৌশলে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।

এক সুত্রে জানা গেছে পীরগাছা থানা পুলিশের সঙ্গে জেলা পুলিশের উধ্বতন কর্মকর্তা, আইন শৃক্সখলা বাহিনি, র‌্যাব, যৌথ বাহিনি জামাত শিবিরের নেতা কমীদের গ্রেফাতর করতে সহযোগীতা করেছেন বলে জানা গেছে। পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে জামাত শিবিরের চিহ্নিত নেতা কমীরা বিভিন্ন ভাবে গোপনে অন্যের বাড়িতে রাত্রি যাপন করছেন। অপরদিকে পুলিশের হাত থেকে ধরা পরার ভয়ে আওয়ামীলীগ নেতাদের সঙ্গে দর কসাকসী করছেন বলে জামাত শিবিরের একাধিক নেতা জানিয়েছেন।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

১১ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছায় ফকির বাবা ডিম খাইয়ে মটরসাইকেল সহ লক্ষাধীক টাকা লুট

বাড়িতে গুপ্তধন তথা টাকার ড্যাগ রয়েছে। উক্ত টাকা পেতে হলে আমার কথা মত সবাইকে ডিম খেতে হবে। ফকির বাবার কথা মত বাড়ির সবাই সেই ডিম গভীর রাতে খায়। আর সেই ডিম খেয়ে বাড়ির ৫ জন্য সদস্য অচেতন হয়ে ঘুমিয়ে পরে। এই সুযোগে ফকির বাবা মটরসাইকেল সহ অলঙ্কার এবং লক্ষাধীক টাকা নিয়ে রাতেই বাড়ি ছেড়ে লাপাত্তা হয়ে যায়। আর এই চাঞ্চল্যকর কাহিনিটি ঘটেছে পীরগাছার রাজবাড়ি পাকারমাথা বাজারের সুপরিচিত ব্যবসায়ী আবু তালেবের বাড়ি আমডারা নামক গ্রামে গত ৯ই নভেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাত্রিতে।

ঘটনার বিবরণে প্রতিবেশিসহ রাজবাড়ি পাকারমাথা বাজারের ব্যবসায়ীরা এই আলোচিত ঘটনাটি নিয়ে ব্যবসায়ী আবু তালেবকে ব্যাপক সমালোচনা করেন। সমালোচনার কারন হচ্ছে আবু তালেব একজন অত্র এলাকার মধ্যে সব দিক দিয়েই চালাক ব্যক্তি। আজ পর্যন্ত আবু তালেবকে কেহ ঠকাতে পারে নাই এমনকি কোন ফকির মিসকিন সহ বিভিন্ন আবদারকারীরা কিছু পয়সা নিবে তার আগেই আবু তালেব যে কোনভাবে হাদিস ঝাড়িয়ে বলে আমি সব জানি।আমাকে তোমরা ভাঙ্গাতে পারবেনা। এখন গ্রামের লোকজন সহ পাকারমাথা বাজারে মানুষগুলো অট্টোহাসি দিয়ে বলে ফেলেন বোকা ফান্দে জালত, চালাক ফান্দে ....। সেইরকম হলো আবু তালেবের দশা।

ফকির জানিয়েছিলো টাকার ড্যাগ পেতে হলে তার কথা শুনতে হবে। ফকিরের দেওয়া ডিম খেয়ে ফেলে আবু তালেব ও তার স্ত্রী, পুত্র ব্যাবসায়ী রাজু, রুবেল ও আরিফ সহ অপর দুজন বাড়ির সদস্য। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আবু তালেব সহ ৫ জন। লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু এ প্রবাদটি বাস্তবে সত্য বলে প্রবীন ব্যক্তিরা মন্তব্য করেন। এখনো আমরা সেই আদি যুগের মানুষের মত চলি। আমডারা গ্রামের আবু তালেব একজন চতুর ব্যাক্তি এবং ব্যবসায়ী পরিবার। সে কেন ফকিরকে বিশ্বাস করবে আর কেনইবা তার বাড়িতে টাকার ড্যাগ তথা গুপ্তধন রয়েছে এ লোভে পড়তে যাবে। আমাদের সাধারন জ্ঞান থাকা উচিত। টাকার ড্যাগ যদি থাকে তাহলে ওই ফকির ব্যাটাই সবার আগে কাউকে কিছু না জানিয়ে টাকার ড্যাগটি তার বাড়িতে নিয়ে যাবে। কিন্তু এখানে প্রশ্ন হল ফকিরের কারামতি কেন আমরা সহজে বুঝতে পারিনা। কারণ আমরা লোভী।

আমরা মোবাইলে জিনের বাদশার কথা শুনে লোভে পরে বহু টাকা পয়সা এমনকি ঘরের সুন্দরী গৃহবধুটিকেও হারাতে দ্বিধা বোধ করিনা। আবু তালেব ঐ ফকিরের সম্পর্কে ভলোভাবে জানতো। চার মাস ধরে ঐ ফকির ব্যাটার সঙ্গে তার উঠা বসা। একজন ব্যক্তি সহজে অপর একজন মানুষকে ভালোবেসে ফেলে এবং লোভে পরে। আসুন আমরা আবু তালেবের মত ভন্ড ফকিরের পাল্লায় পরে ডিম না খাই।  তবে আবু তালেবের মত অসামাজিক মানুষ হলে শুধু ডিম খাইয়ে নয় ঝাল মুড়ি খাইয়েও বাড়িতে থাকা সুন্দরী গৃহবধুকে হারাতে হবে। আবু তালেবের মত এ ধরনের পরিস্থিতির  স্বীকার হয়েছিলো কিশামত ঝিনিয়া গ্রামের জনৈক ব্যাক্তির গৃহবধু।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

১০ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছার শিক্ষা অফিসের কর্তৃপক্ষের গাফলতি


পীরগাছা উপজেলার অধিকাংশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ভালো নয়। প্রধান শিক্ষকরা ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত। শিক্ষা অফিসের কর্তৃপক্ষের গাফলতি, যার ফলে প্রধান শিক্ষকরা সুযোগের সদব্যবহার করছে। অধিকাংশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা রাজনীতিতে জড়িত। রাজনীতি মানে দেওয়ানগীরীও করা হয়, আড্ডা দেওয়া হয়, ব্যক্তিস্বর্থ হাসিল করে চলে ওরা।

সত্য প্রসঙ্গে বলতে হয় এই প্রাথমিক স্কুলগুলো ছিলো বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। পীরগাছার বেসরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকেরা নিজ খেয়াল খুশি মত চাকুরী করত। যাকে বলা হয় মন গড়া। ইহা ধ্রব সত্য ছিলো। সরকারী করণের পরও এদেরকে বদলী করণ করা হয় বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাবাদ আছে যে, ঢেকি যদি সর্গেও থাকে সেখানেও তাকে ধান ভেঙ্গে খেতে হয়। তাই বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারী করণ হওয়ার পরেও তথা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হওয়ার পরেও তাদের সেই পুরণ অভ্যাস বদলায় নি। এদের দিকে কঠোর নজরদারী রাখতে হবে।

এখন প্রশ্ন- এরা যে সরকারী চাকুরী করে, সরকারের কর্মচারী এদেরকে তদারকী কে করবে? জনমনে নানা প্রশ্ন। কারণ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শুধু অফিস নিয়েই নানা কাজে ব্যস্ত। যার যার ক্লাষ্টার তার কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হয় সরকারী দায়িত্বে। ৯ ইউনিয়নে অধিকাংশ প্রধান শিক্ষকরা যেভাবে কর্মস্থলে তথা স্কুলে যাতায়াত করেন তাহা সরকারী বিধি বর্হিভুত। তাই এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা স্বাভাবিক।

এদের একটি ভালো অভ্যাস আছে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারদের সঙ্গে আতাত করা। এরা বিভিন্ন চায়ের দোকানে এবং আড্ডা খানায় গল্প করে যে, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারকে ২০ টাকা দিয়েও কেনা যায়। কারন অধিকাংশ সহকারী শিক্ষা অফিসার প্রধান শিক্ষকদের কাছে দূর্বল। কারন প্রধান শিক্ষকরা যেহেতু অপরাধকে ঢাকতে সেইসব অফিসারদেরকে ম্যানেজ করে চলেন এবং একই সঙ্গে চায়ের টেবিলে বসে খোস গল্পের মাধ্যমে বন্ধুত্বসুলভ আচরন করেন।

গোটা পীরগাছা উপজেলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সন্তসজনক নয়। কারন রাজার দোষে রাজ্য নষ্ট প্রজা কষ্ট পায়। তেমনি আমাদের কিছু সংখ্যক পীরগাছা উপজেলার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নের দৈন্যদশা। সামনে পিএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পিএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষকেন্দ্রে অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখার অভ্যাস রয়েছে পীরগাছা উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি