বাড়িতে গুপ্তধন তথা টাকার ড্যাগ রয়েছে। উক্ত টাকা পেতে হলে আমার কথা মত সবাইকে ডিম খেতে হবে। ফকির বাবার কথা মত বাড়ির সবাই সেই ডিম গভীর রাতে খায়। আর সেই ডিম খেয়ে বাড়ির ৫ জন্য সদস্য অচেতন হয়ে ঘুমিয়ে পরে। এই সুযোগে ফকির বাবা মটরসাইকেল সহ অলঙ্কার এবং লক্ষাধীক টাকা নিয়ে রাতেই বাড়ি ছেড়ে লাপাত্তা হয়ে যায়। আর এই চাঞ্চল্যকর কাহিনিটি ঘটেছে পীরগাছার রাজবাড়ি পাকারমাথা বাজারের সুপরিচিত ব্যবসায়ী আবু তালেবের বাড়ি আমডারা নামক গ্রামে গত ৯ই নভেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাত্রিতে।
ঘটনার বিবরণে প্রতিবেশিসহ রাজবাড়ি পাকারমাথা বাজারের ব্যবসায়ীরা এই আলোচিত ঘটনাটি নিয়ে ব্যবসায়ী আবু তালেবকে ব্যাপক সমালোচনা করেন। সমালোচনার কারন হচ্ছে আবু তালেব একজন অত্র এলাকার মধ্যে সব দিক দিয়েই চালাক ব্যক্তি। আজ পর্যন্ত আবু তালেবকে কেহ ঠকাতে পারে নাই এমনকি কোন ফকির মিসকিন সহ বিভিন্ন আবদারকারীরা কিছু পয়সা নিবে তার আগেই আবু তালেব যে কোনভাবে হাদিস ঝাড়িয়ে বলে আমি সব জানি।আমাকে তোমরা ভাঙ্গাতে পারবেনা। এখন গ্রামের লোকজন সহ পাকারমাথা বাজারে মানুষগুলো অট্টোহাসি দিয়ে বলে ফেলেন বোকা ফান্দে জালত, চালাক ফান্দে ....। সেইরকম হলো আবু তালেবের দশা।
ফকির জানিয়েছিলো টাকার ড্যাগ পেতে হলে তার কথা শুনতে হবে। ফকিরের দেওয়া ডিম খেয়ে ফেলে আবু তালেব ও তার স্ত্রী, পুত্র ব্যাবসায়ী রাজু, রুবেল ও আরিফ সহ অপর দুজন বাড়ির সদস্য। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আবু তালেব সহ ৫ জন। লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু এ প্রবাদটি বাস্তবে সত্য বলে প্রবীন ব্যক্তিরা মন্তব্য করেন। এখনো আমরা সেই আদি যুগের মানুষের মত চলি। আমডারা গ্রামের আবু তালেব একজন চতুর ব্যাক্তি এবং ব্যবসায়ী পরিবার। সে কেন ফকিরকে বিশ্বাস করবে আর কেনইবা তার বাড়িতে টাকার ড্যাগ তথা গুপ্তধন রয়েছে এ লোভে পড়তে যাবে। আমাদের সাধারন জ্ঞান থাকা উচিত। টাকার ড্যাগ যদি থাকে তাহলে ওই ফকির ব্যাটাই সবার আগে কাউকে কিছু না জানিয়ে টাকার ড্যাগটি তার বাড়িতে নিয়ে যাবে। কিন্তু এখানে প্রশ্ন হল ফকিরের কারামতি কেন আমরা সহজে বুঝতে পারিনা। কারণ আমরা লোভী।
আমরা মোবাইলে জিনের বাদশার কথা শুনে লোভে পরে বহু টাকা পয়সা এমনকি ঘরের সুন্দরী গৃহবধুটিকেও হারাতে দ্বিধা বোধ করিনা। আবু তালেব ঐ ফকিরের সম্পর্কে ভলোভাবে জানতো। চার মাস ধরে ঐ ফকির ব্যাটার সঙ্গে তার উঠা বসা। একজন ব্যক্তি সহজে অপর একজন মানুষকে ভালোবেসে ফেলে এবং লোভে পরে। আসুন আমরা আবু তালেবের মত ভন্ড ফকিরের পাল্লায় পরে ডিম না খাই। তবে আবু তালেবের মত অসামাজিক মানুষ হলে শুধু ডিম খাইয়ে নয় ঝাল মুড়ি খাইয়েও বাড়িতে থাকা সুন্দরী গৃহবধুকে হারাতে হবে। আবু তালেবের মত এ ধরনের পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছিলো কিশামত ঝিনিয়া গ্রামের জনৈক ব্যাক্তির গৃহবধু।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
ঘটনার বিবরণে প্রতিবেশিসহ রাজবাড়ি পাকারমাথা বাজারের ব্যবসায়ীরা এই আলোচিত ঘটনাটি নিয়ে ব্যবসায়ী আবু তালেবকে ব্যাপক সমালোচনা করেন। সমালোচনার কারন হচ্ছে আবু তালেব একজন অত্র এলাকার মধ্যে সব দিক দিয়েই চালাক ব্যক্তি। আজ পর্যন্ত আবু তালেবকে কেহ ঠকাতে পারে নাই এমনকি কোন ফকির মিসকিন সহ বিভিন্ন আবদারকারীরা কিছু পয়সা নিবে তার আগেই আবু তালেব যে কোনভাবে হাদিস ঝাড়িয়ে বলে আমি সব জানি।আমাকে তোমরা ভাঙ্গাতে পারবেনা। এখন গ্রামের লোকজন সহ পাকারমাথা বাজারে মানুষগুলো অট্টোহাসি দিয়ে বলে ফেলেন বোকা ফান্দে জালত, চালাক ফান্দে ....। সেইরকম হলো আবু তালেবের দশা।
ফকির জানিয়েছিলো টাকার ড্যাগ পেতে হলে তার কথা শুনতে হবে। ফকিরের দেওয়া ডিম খেয়ে ফেলে আবু তালেব ও তার স্ত্রী, পুত্র ব্যাবসায়ী রাজু, রুবেল ও আরিফ সহ অপর দুজন বাড়ির সদস্য। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আবু তালেব সহ ৫ জন। লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু এ প্রবাদটি বাস্তবে সত্য বলে প্রবীন ব্যক্তিরা মন্তব্য করেন। এখনো আমরা সেই আদি যুগের মানুষের মত চলি। আমডারা গ্রামের আবু তালেব একজন চতুর ব্যাক্তি এবং ব্যবসায়ী পরিবার। সে কেন ফকিরকে বিশ্বাস করবে আর কেনইবা তার বাড়িতে টাকার ড্যাগ তথা গুপ্তধন রয়েছে এ লোভে পড়তে যাবে। আমাদের সাধারন জ্ঞান থাকা উচিত। টাকার ড্যাগ যদি থাকে তাহলে ওই ফকির ব্যাটাই সবার আগে কাউকে কিছু না জানিয়ে টাকার ড্যাগটি তার বাড়িতে নিয়ে যাবে। কিন্তু এখানে প্রশ্ন হল ফকিরের কারামতি কেন আমরা সহজে বুঝতে পারিনা। কারণ আমরা লোভী।
আমরা মোবাইলে জিনের বাদশার কথা শুনে লোভে পরে বহু টাকা পয়সা এমনকি ঘরের সুন্দরী গৃহবধুটিকেও হারাতে দ্বিধা বোধ করিনা। আবু তালেব ঐ ফকিরের সম্পর্কে ভলোভাবে জানতো। চার মাস ধরে ঐ ফকির ব্যাটার সঙ্গে তার উঠা বসা। একজন ব্যক্তি সহজে অপর একজন মানুষকে ভালোবেসে ফেলে এবং লোভে পরে। আসুন আমরা আবু তালেবের মত ভন্ড ফকিরের পাল্লায় পরে ডিম না খাই। তবে আবু তালেবের মত অসামাজিক মানুষ হলে শুধু ডিম খাইয়ে নয় ঝাল মুড়ি খাইয়েও বাড়িতে থাকা সুন্দরী গৃহবধুকে হারাতে হবে। আবু তালেবের মত এ ধরনের পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছিলো কিশামত ঝিনিয়া গ্রামের জনৈক ব্যাক্তির গৃহবধু।
রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি
