২৫ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছায় পিএসসি পরীক্ষা চলাকালীন ২ কেন্দ্রে ৪ শিক্ষককে বহিষ্কার

সারা দেশের ন্যায় পীরগাছা উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিএসসি) ও ইফতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা পীরগাছার ৯টি ইউনিয়নে ৯টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৬ হাজার ২শ ৭৮ পিএসসি পরীক্ষায় ও ৮শ ৪৮ জন ইফতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ আলীয়া ফেরদৌস জাহান, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) নাছিম আহম্মেদ, পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার রফিক উজ্জামান সার্বিক দায়িত্ব সহ প্রশাসনিক দায়িত্ব যথার্থভাবে পালন করছেন কেন্দ্রসমূহে গিয়ে।

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে চৌধুরাণী কৈকুড়ি ইউনিয়নের চৌধুরাণী পিএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে ৩ জন শিক্ষককে বহিস্কার। কান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন অসদ উপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ১জন হল সুপারকে বহিস্কার করা হয়।

এদিকে কল্যানী ইউনিয়নের বড়দরগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বে নিয়োজিত কেন্দ্র সচিব সুফিয়া বেগম পরীক্ষা চলাকালীন যথাযথ ভূমিকা পালন করছেন। কল্যাণী ইউনিয়নে ৫শ ৬৮জন পিএসসি অপরদিকে মাত্র ৩৬জন ইফতেদায়ি পরীক্ষার্থী অংশনিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা দিচ্ছেন। হল সুপারের দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ ইকবাল, প্রধান শিক্ষক অন্নদানগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সৈয়দপুর নয়াহাট কেন্দ্রে পিএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষাথীদের সংখ্যা ৭শ ১২জন, ইফতেদায়ি পরীক্ষাথীদের সংখ্যা ৩৩জনের মধ্যে ২৯জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন বলে কেন্দ্র সচিব নূর জাহান বেগম সাংবাদিক মুন্সিকে সাক্ষাতে জানান। পরীক্ষা চলাকালীন কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি। এ কেন্দ্রে মেজিষ্ট্রেসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান।

কালিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫শ ৫৮জন পিএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন। ইফতেদায়ী শাখায় মাত্র ৩০জন। কালিগঞ্জ পরীক্ষা কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন কালিগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক সালেহা বেগম। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত।

সতদরগা পরীক্ষাকেন্দ্রে ৭শ ৪৬জন পিএসসি পরীক্ষার্থী ইফতেদায়ী শাখায় ৮০জন অংশগ্রহন করছেন। কেন্দ্র সচিব হিসাবে সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন সাতদরগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাজাহান। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সাতদরগায় পিএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত।

ছাওলা ইউনিয়নের কুটিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২শ ৩১জন পিএসসি পরীক্ষা অংশগ্রহন করছেন বলে কেন্দ্র সচিব মোঃ ছাদেকুল ইসলাম পরীক্ষা চলাকালীন যথযথ ভূমিকা পালন করছেন। কুটিপাড়া কেন্দ্রে ইফতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১শ ৩৪জন শন্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষার উত্তরপত্র লিখছেন। তাম্বুলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ১১ জন ইফতেদায়ী শাখায় ১শ ২৫জন অংশগ্রহন করছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন খাদিজা আক্তার। সুষ্ঠভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ কেন্দ্রে।

পীরগাছা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসিতে ৯শ ৮০জন ও ইফতেদায়ী শাখায় ১শ ৭৭জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছেন। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান মেজিষ্ট্রেসি হিসাবে যথাযথভাবে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ভূমিকা রাখছেন। চৌধুরাণী কেন্দ্রে ৮শ ৪১জন পিএসসি পরীক্ষায় অপরদিকে ইফতেদায়ী শাখায় ৭৩জন অংশগ্রহন করছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন সনিয়া আনছাড়ী।

কান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫শ ৩১জন ইফতেদায়ী শাখায় ১শ ৬০জন নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র লেখছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন সরকার মাছুদুর রহমান।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

২৩ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছায় এক যুগ পর ইউপি নির্বাচন

সীমানা নিয়ে দীর্ঘ জটিলতার অবসান হওয়ার মধ্য দিয়ে অবশেষে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আজ সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। দীর্ঘ এক যুগ পর হচ্ছে এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে উৎসবের আমেজে মেতেছে গোটা ইউনিয়ন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রংপুর সিটি করপোরেশন ঘোষণার পর কল্যাণী ইউনিয়নের গোদা সিমলা ও কলাবাড়ি এলাকা সিটি করপোরেশনের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় সীমানা এবং আইনগত নানা জটিলতা দেখা দেয়। এ অবস্থায় আর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। সবশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে। সীমানা নিয়ে জটিলতা অবসানের পর গত ২১ মে ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশিত হয়। ১২ নভেম্বর ঘোষিত হয় নির্বাচনের তফসিল। আগামী ২১ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এ ইউনিয়নে ভোটার আছেন ১৬ হাজার ১৪৬ জন। এর মধ্যে নারী ৮ হাজার ৭৪ ও পুরুষ ৮ হাজার ৭২ জন। ভোট কেন্দ্র আছে ১০টি।

সরেজমিন গতকাল রোববার সকালে ইউনিয়নটিতে গেলে সেখানে নির্বাচনী আমেজ দেখা যায়। ভোটারদের মধ্যে দেখা যায় উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী না থাকলেও দলীয় নেতা-কর্মীরাও সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থনে মাঠে কাজ করছেন।

সরেজমিন দেখা যায়, পুরুষদের চেয়ে নারী ভোটারদের তৎপরতা বেশি। মনোনয়নপত্র জমা হওয়ার আগেই প্রার্থীদের পক্ষে দোয়া চেয়ে নারী সমর্থকেরা বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন। আর পুরুষ ভোটাররা চায়ের স্টলগুলোতে আড্ডায় ব্যস্ত।
সাত দরগা এলাকার গৃহিণী রোকসানা পারভিন বলেন, ‘ভোটার অনেক আগোত হইছি। কিন্তু ভোট দিবার পারি নাই। এইবারই প্রথম ভোট দেমো। খুব আনন্দ লাগছে।’

একই এলাকার কৃষক লিয়াকত আলী বলেন, ‘এত দিন পর ভোট। ভালো মানুষোক ভোট দেমো।’ নির্বাচন না হওয়ায় গত এক যুগ ধরে এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন কাওসার হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমারও ভালো লাগছে যে শেষ পর্যন্ত সীমানা জটিলতার অবসান হয়ে নির্বাচন হতে যাচ্ছে।’

সোর্সঃ প্রথম আলো

২১ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছায় অবৈধ কোচিং সেন্টারের রাজত্ব সাথে অবৈধ শিক্ষক ছাত্রীর সম্পর্ক

পীরগাছায় শিক্ষার নামে এসব কি হচ্ছে! সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করা হচ্ছে! অথচ ওদের ব্যবসা জমজমাট। সম্প্রতি শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষা মান উন্নয়নে আলোচনা সভায় বিভিন্ন শিক্ষক বক্তব্যে কোচিং সেন্টারের বিষয়ে অভিযোগ তোলেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান ভাল না থাকায় সুশিক্ষার জন্য কোচিংয়ে ছুটে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রী।

এক শ্রেনীর শিক্ষক ক্লাসের মধ্যে অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীদেরকে সুশিক্ষা না দিয়ে কোচিং ও প্রাইভেট শিক্ষার নামে অবৈধভাবে সরকারী শিক্ষানীতিকে তোয়াক্কা না করে ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কোচিং ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যেসব শিক্ষক এ ধরনের ব্যবসায় জরিত এদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নিলে একদিকে যেমন ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা প্রাইভেট ও কোচিং বন্ধ হবে অপর দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা সুশিক্ষা পাবে বিজ্ঞ শিক্ষকদের মাধ্যমে।

কোচিং ও প্রাইভেট পড়ার নামে কোচিং-এর কতিপয় অবিবাহিত যুবক শিক্ষক একদিকে তারা কোচিং এর ছাত্র-ছাত্রীদের ভালো শিক্ষার মান উন্নয়ণে নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কোচিং এ এসএসসি, এইচএসসি’র অধ্যয়নরত ভর্তি কোচিং-এ ছাত্র ছাত্রীদের সহিত শিক্ষার নামে প্রতারণা করে আসছে। সরেজমিনে এসব কোচিং এর নামধারী যুবক শিক্ষকদের ব্যাপারে জানা গেছে, এসব কোচিং-এর শিক্ষকগণ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়–য়া ছাত্র নয়। এসব শিক্ষক (ছাত্র) স্থানীয় কোন একটি কলেজের অধ্যয়নরত ছাত্র এসএসসি পাশ অথবা এইচএসসি পাশ বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

পড়ার ফাঁকে উক্ত কোচিং-এর অবিবাহিত যুবকটি ছাত্রীদের নিকটে সময়ের জন্য কথা বলতে তার হাতে নির্দিষ্ট মোবাইল ফোনটির নাম্বার নিয়ে তার মোবাইলে সীমা, এসএ, তাম্মী বিভিন্ন নামের সংকেত মোবাইলে সেভ করে উক্ত শিক্ষক তার কোচিং-এ পড়া মেয়েটির সঙ্গে গভীর রাতে অবৈধভাবে প্রেমের সংলাপ করে। এদিকে অবুঝ অবলা নারীটি জানেনা উক্ত ভন্ড কোচিং-এর শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষার নামে কোচিং-এ গিয়ে জড়িয়ে পড়বে প্রেম সাগরে। মা-বাবা জানেনা তাদের আদরের সুন্দর মেয়েটি পীরগাছা এবং রংপুরের নামীদামি কোচিং-এ লেখাপড়ার ফাঁকে সর্বনাশের পথে চলে গেছে জড়িয়ে পড়েছে কোচিং-এ প্রতারক শিক্ষকের মোবাইল প্রেমে।

মোবাইল প্রেমের সংখ্যা কোচিং সেন্টারে যেমন তেমন বেকারত্ব যুবকরা মোবাইল প্রেমে আসক্ত হচ্ছে মোবাইল যাদের হাতে রয়েছে সেই সব ছাত্রীদের সঙ্গে। বিশেষ করে পীরগাছা উপজেলার প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্য যে হারে চলছে তাহা মনে হয় না যে, মেধাবী শিক্ষকগণ বিধি মোতাবেক এমনিতে শিক্ষক পদে নিয়োগ পাচ্ছেন। কতিপয় হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক স্কুল চলাকালীন সময়ে গোল্ডলিফ সিগারেট, ব্যানসন সিগারেট সহ বিভিন্ন সিগারেট প্রতি ঘন্টায় কমপক্ষে ৫টা থেকে ১০টা পান করেন। যাহার বাস্তব প্রমান এ প্রতিনিধি সাংবাদিক মুন্সির ক্যামেরায়।

উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রধান শিক্ষক সমূহে বিভিন্ন পদে শিক্ষক নিয়োগ অনেক প্রতিষ্ঠানে অযোগ্য হালকা পাতলা প্রধান শিক্ষক তৃতীয় শ্রেনীর সার্টিফিকেট দ্বারা প্রধান শিক্ষক পদে টাকার বিনিময়ে চাকুরীতে নিয়োগ পাওয়ায় অধ্যয়নরত সহকারী শিক্ষকগণ প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়ে সমালোচনা করেন। উল্লেখ্য যে, রাজনীতি অঙ্গনে যেমন প্রত্যেকটি বিষয়ে স্বচ্ছলতার মাঝে ফিটনেস বডি যেমন আশু প্রয়োজন তেমনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হতে হলে চতুর্দিকে শিক্ষার পাশাপাশি ফিটনেস বডিরও প্রয়োজন বলে সহকারী শিক্ষকগন সমালোচনা করেন।

দূর্নীতি, অনিয়ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দূর কি হবে? চলতি ২০১৫ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণে প্রধান শিক্ষকগণ উচ্চ আদালতের নির্দেশ তোয়াক্কা না করে মনগড়া মতে ১১শ টাকার স্থলে ২৫শ টাকা হতে ৩হাজার টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত টাকাগুলো সভাপতি প্রধান শিক্ষক সহ হাতে গোনা কয়েকজন ভাগ বাটয়ারা করে মাছ মাংশ কিনে খায়, আর কেউ বাড়ির টাইলস সহ সোপাসেট কিনে নেয়। পীরগাছা উপজেলার শতকরা ৯০ জন প্রধান শিক্ষক উচ্চ আদালতের আইন মানছে না। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে বিজ্ঞ মহল মনে করেন।

উল্লেখ্য যে, মা-বাবা সন্তানদেরকে বুক ভরা আশা নিয়ে ভবিষ্যত উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে এবং কোচিং-এ পাঠাচ্ছে। কিন্তু এক শ্রেনীর নারীলোভী শিক্ষক সর্বনাশ করছে লাবণ্যময় চেহারা দেখে ছাত্রীদের ভবিষ্যত জীবন ও যৌবন। যার বাস্তব প্রমাণ বড়দরগা এলাকার শাজাহান আলী নামের সেই প্রথান শিক্ষক আবারো ছাত্রী কেলেঙ্কারীতে জড়িত হয়ে বড়দরগায় শিক্ষকদের মধ্যে এবং ঘটনাস্থল সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যপক সমালচনা চলছে প্রধান শিক্ষক শাজাহানকে নিয়ে।

অপরদিকে শিক্ষক হয়ে ধর্ম মেয়ের সহিত অসামাজিক কাজে ধরা পড়ায় হাজার হাজার টাকা জরিমানার বিষয়টি সৈয়দপুর বাজারে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। উক্ত নামধারী শিক্ষক একজন নারী কেলেঙ্কারীর হোতা। আর অবশেষে রংপুর শহরে সুন্দরী ধর্মবেটির (ছাত্রী) সঙ্গে ধরা পরায় আলোড়ন সৃষ্টি করে। রাজবাড়ী পাকারমাথায় শিশির কুমারের গড়ে ওঠা মেধা বিকাশ শিশু নিকেতন প্রতিষ্ঠানটি সুযোগ্য পরিচালক থাকার ফলে অপরদিকে অভিজ্ঞ শিক্ষক শিক্ষিকা পাঠদানের জন্য শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠভাবে সুশিক্ষা পাচ্ছে।

গোপাল মাষ্টারের বাড়ির সংলগ্ন কোচিং সেন্টারে অন্যান্য কোচিং এর চেয়ে কোচিং এর শিক্ষকগন বিজ্ঞ হওয়ায়, যার ফলে পীরগাছা জেএন সহ নামীদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগন গোপাল মাষ্টারের বাড়ির কোচিং সেন্টারে শিক্ষা লাভ করছে। একমাত্র গোপাল মাষ্টারের বাড়ির কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের মাঝে কোন অভিযোগ নেই। মেধা বিকাশ শিশু নিকেতন প্রতিষ্ঠানটিও শিক্ষার সুনাম ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর আশা-আকাক্সখা পূরণ করবে শিশির কুমার।

অপরদিকে শরিফসুন্দর ও চন্ডিপুর ২টি কোচিং সেন্টারে অনার্স ও মাষ্টার্স পাশ বেকার যুবকরা এলাকার সন্তানদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে বিকাল ৫টার পর থেকে কোচিং খুলছেন। এতে ক্লাস ওয়ান থেকে পঞ্চম শ্রেনীর অপরদিতে সিক্স থেকে দশম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীরা সুশিক্ষার জন্য ছুটে আসছেন নেকমামুদ দুটি কোচিং সেন্টারে।

অপরদিকে শরীফ সুন্দর প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন ২টি কোচিং সেন্টারে শান্তিপূর্ন পরিবেশে কোচিং সেন্টারের নামে চলছে সুশিক্ষার বাণিজ্য। অধ্যয়নরত বিদ্যালয়গামী ছাত্রছাত্রীরা বিজ্ঞ শিক্ষকদের নিকট সুশিক্ষার জন্য প্রতিদিন স্কুল ছুটির পর ছুটে যান তাদের মনোনীত কোচিং সেন্টারে। পীরগাছায় কোচিং সেন্টারগুলো যদিও অবৈধ তথাপিও এ প্রতিনিধি সরেজমিনে গিয়ে সাক্ষাতে শিক্ষকদের সাথে কথা বলে অবগত হন সরকার কর্তৃক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কোচিং সেন্টারগুলোতে বিজ্ঞ শিক্ষকের তত্বাবধানে ও পাঠদানের ফলে শিক্ষার মান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে গোটা উপজেলায়। যার বাস্তব প্রমান পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার বাড়ছে তবে পরীক্ষার পরিবেশের ভিন্ন চিত্র।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সী

২০ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের আসামীকে গ্রেফতার


বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৯৭৪ সালের ১৫(৩) ধারার এজাহার নামিয় আসামী আব্দুস ছাত্তার, পিতাঃ ফরিদ মাহমুদ কে পীরগাছা থানা পুলিশ গত ১৯শে নভেম্বর বৃহসপতিবার সন্ধায় তার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

মামলার তদন্তকারী অফিসার ওসি তদন্ত নাজমুল আহম্মেদ সাংবাদিকদের জানান আব্দুস ছাত্তার সম্প্রতি ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনে ভাংচুর সহ নাশকতার অভিযোগে দুটি মামলার চার্জসীট আদালতে প্রেরণ করছেন পীরগাছা থানা পুলিশ। গত ১৮ই নভেম্বর বুধবার ছাওলা ইউনিয়নের জ্ঞানগঞ্জ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল আজিজের পুত্র শহীদুল ইসলাম বোমা সাজুকে পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলামের নির্দেশে এসআই শফি সাদা পোশাকে গিয়ে এলাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রেফতারকৃত বোমা সাজু একজন সাবেক ছাত্রশিবিরের কর্মী ছিলেন বলে থানা পুলিশ জানায়। পরবর্তীতে জামায়াতের সদস্যপদ লাভ করে। বোমা সাজুর বিরুদ্ধে ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনের ঘটনায় মামলা রুজু করা হলে পুলিশের হাত থেকে ধরা পরার ভয়ে বোমা সাজু আত্নগোপন করে থাকে। গোপন সাংবাদে র্সোসের মাধ্যমে পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে বোমা সাজুকে গ্রেফাতর করে থানায় নিয়ে আসে।

নাশকতার ছক অনুযায়ী গতকাল বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার আসামীদের নাম ঠিকানা বিররণী প্রকাশ করেন পুলিশের নিকট বোমা সাজু। সাজুর জবানবন্দি অনুযায়ী আব্দুস সাত্তার, পিতাঃ মৃত ফরিদ মাহমুদের নাম উঠে আসে এজাহারে। বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা নং ২৬/১১ বলে মামলার তদন্তকারী অফিসার সাংবাদিককে জানান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এজাহার নামীয় মামলার আসামী আব্দুস ছাত্তার থানার হাজতে অবস্থান করছে।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

১৮ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছায় সাংবাদিকের শ্বাশুড়ীর মৃত্যুতে শোক ও কুলখানি


রংপুরের পীরগাছা উপজেলার এক সাংবাদিকের শ্বাশুড়ীর মৃত্যুতে বিভিন্ন  সংগঠনের শোক ও কুলখানি।  তিনি রংপুর থেকে প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধের মূখপত্র ‘দৈনিক দাবানল’ পত্রিকার পীরগাছা উপজেলার নিজস্ব সংবাদদাতা ডাঃ এমদাদুল হক এর শ্বাশুড়ী বাধ্যক্য জনিত কারনে কনিষ্ঠ্য কন্যা খন্দকার লায়লা আরজুমান বানু পারভীনের রহমতচরস্থ বাস গৃহে দীর্ঘ ৬ বছর রোগ-ভোগের পর গত ৭ নভেম্বর সন্ধায় মৃত্যুবরণ করেন ইন্নালিলাহে .........রাজেউন। মৃত্যুকালে তার বয়স ৯৭ বছর হয়েছিল।

তিনি মরহুম খন্দকার আনছার আলী মিয়া ফকিরের ২য় পুত্র মরহুম খন্দকার রুহুল আমিন(নয়ামিয়া)ফকিরের স্ত্রী ও মেসার্স রাজু ট্রেডার্স এর’ একমাত্র মালিক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক রাজু মিয়ার মাতা খন্দকার রেজিয়া খাতুন। তিনি শ্বশুর পীর আনছার  ফকিরের খেতাব প্রাপ্তা ছালেক ছিলেন। তার জানাজা নামাজ পরদিন সকাল ১০টায় রহমতচর ঈদগাহ্ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে মিয়াবাড়ী ‘পারিবারিক কবর’ স্থানে স্বামীর কবরের পার্শ্বে দাফন করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর সময় মরহুমা ১ পুত্র ৩ কন্যা,নাত-নাতনী সহ বহু গুন গ্রাহী ও শিষ্যভক্ত রেখেযান। তার রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ ১৬ নভেম্বর সোমবার সকাল ৮টায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হইবে। মরহুমের পরিবার থেকে তার গুন গ্রাহী,ভক্ত, সংগঠক, সাংবাদিক মহল ও আত্নীয় সজনকে দোয়া ও মোনাজাতে শরীক হওয়ার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

পীরগাছায় স্বামীর যৌতুকের দাবীতে স্ত্রী, শশুর ও শাশুরীকে নির্যাতন


পীরগাছা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন  স্বামী নির্যাতনের শিকার গৃহবধু মোছাঃ নয়ন তারা ও তার বাবা মা। এই নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটিয়েছে বেপরোয়া স্বামী আব্দুল কাদের। সহজ সরল শ্বশুর ইমান আলী বাড়ি পূর্ব ব্রাক্ষণীকুন্ডা বামন পাড়া গ্রামে। শশুর শাশুড়ি আত্নীয় স্বজনের সামনে প্রকাশ্যে যৌতুকের টাকা দাবী করে আব্দুল কাদের। দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করায় বাবার বাড়িতে নির্যতনের শিকার হন গৃহবধু নয়ন তারা।

শুধু স্ত্রীকে নির্যাতন করে ক্ষ্যান্ত হননি জামাতা আব্দুল কাদের। মেয়েকে জামাতার কবল থেকে উদ্ধার করতে এসে শশুর ইমান আলীকেও গুরত্বর আহত করেছে আব্দুল কাদের। শাশুড়ি জরিনাও রেহাই পায়নি। দিনের বেলায় প্রকাশ্যে স্ত্রী ও শশুর, শাশুরীকে নির্যাতনের বিষয়টি গ্রামের সাধারন মানুষ নিন্দা জানিয়েছেন জামাতার বিরুদ্ধে। আহত অবস্থায় নির্যাতিতা গৃহবধু নয়ন তারা বাবা ইমান আলী মা জরিনা বগম সহ ৩ জন পীরগাছা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যৌতুকের দাবী আনায়ন করে নির্যাতনের বর্ণনা উল্লেখ করে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে অসহায় গৃহবধু নয়ন তারা। পূর্ব ব্রাক্ষণীকুন্ডা বামন পাড়া গ্রামে সাধারন লোকজন সুত্রে জানা গেছে আব্দুল কাদেরের বাড়ি নব হারিয়ার ঘাট ব্যপারী পাড়ায়। অপরদিকে নয়ন তারার বাবা সহ পরিবারের লোকজন সহজ সরল নিরিহ মানুষ।

ঘটনাটি সত্য, পুলিশ যদি নয়ন তারার দায়েরকৃত এজাহার তদন্ত সাপেক্ষে বেপরোয়া অসামাজিক স্বামী আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় গ্রহন না করে তবে আব্দুল কাদের কর্তৃক গৃহবধু নয়ন তারার পরিবারের মধ্যে শান্তি ভঙ্গের আশংকা রয়েছে। গৃহবধু নয়ন তারা ও তার বাবা ইমান আলী মা জরিনা বেগম হাসপাতাল বেডে সাংবাদিকদের জানান জামাতা আব্দুল কাদের একজন অসামাজিক প্রকৃতির লোক। যা কিছু উপার্জন করে তা জুয়া খেলা সহ নেশা খেয়ে শেষ করে।

ইতিপূর্বে গৃহবধু তার বাবা মায়ের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা স্বামী আব্দুল কাদেরকে দিয়েছিলেন। দাবীকৃত টাকা না দিতে পেরে গত ১৭ই নভেম্বর তাকে অমানবিক, অমানুষিকভাবে নির্যাতন করা হয়। তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশের নিকট আইনের সাহায্য কামনা করেন গৃহবধু নয়ন তারা ও তার অভিভাবক।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

১৭ নভেম্বর ২০১৫

পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স


ছবিটি পীরগাছার মেডিকেল এলাকা থেকে তোলা হয়েছে । এই পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পীরগাছার একমাত্র হাসপাতাল। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির কাজ সম্পন্ন হলেও পুরোদমে সবগুলো ভবন চালু হয়নি।

স্থানঃ মেডিকেল, পীরগাছা, রংপুর
সময়ঃ বিকাল ০৫: ৩০
তারিখঃ ১লা জুলাই ২০১৫ ইং
ছবিঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি