২৭ এপ্রিল ২০১৬

পীরগাছায় ছাত্রীকে ইভটিজিং এর দায়ে জেল ও জরিমানা


ইভটিজিং এর দায়ে পীরগাছা ভ্রাম্যমান আদলতের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট মোছাঃ আলীয়া ফেরদৌস জাহান ৪৩ বছরের মমতাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে জেল জরিমানা করেন। বড়দরগা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী মণিষা আক্তারকে উক্ত মমতাজ উদ্দিন রাস্তার মধ্যে ইভটিজিং করার দায়ে তাকে আটক করে জনগন। উল্লেখ্য যে, মণিষা তার বান্ধুবি সহ কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় ইভটিজিং এর  স্বীকার হন। অতপর জনগন উত্তেজিত হয়ে মনতাজকে তার মটোরসাইকেল সহ আটক করে উত্তম মাধ্যম কিল ঘুষি মারে।

পুলিশ খবর পেয়ে রাতেই তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পীরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম ইভটিজিং এর মামলাটি এস আই শরিফুলের উপর দায়িত্ব ভার অর্পন করেন। পুলিশ কর্মকর্তা মামলাটি ভ্রাম্যমান আদালতে প্রেরণ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট ইভটিজিং এর স্বীকার মনিষার জবানবন্দি সহ আসামী সাব কন্টাকটার মমতাজ উদ্দিনের জবানবন্দী সহ সাক্ষীর জবানবন্দী শোনার পর ১৫ দিনের জেল অনাদায়ে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। মমতাজ উদ্দিন একজন সাব কন্ডোকটার বলে ভ্রাম্যমান আদালতের মেজিষ্টেটকে জানান। আদালত চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাকিম সর্দার, কল্যাণী ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান নূর আলমসহ নব্দীগঞ্জ এলাকার জনগন। মমতাজ উদ্দিন ছাত্রীদের উত্যাক্ত করার বিষয়টি এবং এই বয়সে জনগনের গনধোলই স্বীকারের বিষয়টি নব্দীগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

রিপোর্টারঃ তোজাম্মেল হক মুন্সি

২৬ এপ্রিল ২০১৬

পীরগাছা কৃষি অফিসের দুই কর্মকর্তার মধ্যে মারামারি

উপজেলা পরিষদ চত্তরে রফিকুলের চায়ের দোকানের সামনে পীরগাছা কৃষি অফিসের ২জন উপসহকারী কর্মকর্তার মধ্যে ঘুষাঘুষি ঘটনা ঘটে। উপস্থিত শতশত জনগন তাদের অপ্রিতীকর ঘটনা দেখে ধিক্কার দেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২জনকে আটক করেন। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আফসার আলী রফাদফা করবেন বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেন।

উপসহকারি কর্মকর্তা দুজন হচ্ছেন আব্দুল হান্নান (বিএস) ও উপসহকারী কর্মকর্ত তৈয়ব। গত ২৬শে এপ্রিল মঙ্গলবার ২জনেই অফিসের দোতালা থেকে সিরি দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে শরীরের মধ্যে ধাক্কা লাগে। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বন্ধুর মধ্যে অফিসেই অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটে। বিষয়টি মিমাংশার জন্য তারা নিচে আসে পরিষদ চত্তরে। রফিকুলের চায়ের দোকানের সামনে আবারো একে অপরকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। দুজনই রক্তাক্ত হলে উপস্থিত জনগন দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিন্দা জ্ঞাপন করেন তাদের আচরনে। দুজনই পাশাপাশি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাল্যকাল থেকেই এরা একে অপরের বন্ধু। উপসহকারী কর্মকর্তাদের চাকুরির নেপথ্য কাহিনি আগামী সংখ্যায় ধারাবাহিক ভাবে দৈনিক পরিবেশে ফলোআপ আকারে প্রকাশ করবেন সাংবাদি মুন্সি। অধিকাংশ উপসহকারী কর্মকর্তা যুগ যুগ ধরে একই থানায় রহস্যজনকভাবে ক্ষমতার দাপটে চাকুরী করার কারনে চাকুরী নীতি মানছেন না। যার ফলে অপ্রিতিকর ঘটনা ভিতরে ও বাইরে জনগনের নিকট প্রকাশ পাচ্ছে।