অবশেষে গৃহবধু শাপলা ন্যায়বিচার চেয়ে পীরগাছা থানা পুলিশের নিকট বিচার প্রার্থী হলেন। অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গৃহবধু শিমুল আক্তার শাপলা অবশেষে পীরগাছা থানায় স্বামী ও গং এর বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করলেন। আর এই হতভাগীনী গৃহবধুর ঘটনাটি ঘটেছে মহিষমুড়ির মুসুল্লিপাড়া নামক পল্লী গ্রামে।
আনুমানিক ১০/১১ বছর পূর্বে আলাপ আলোচনা সাপেক্ষে একই গ্রামের কপিল উদ্দিনের ছেলে কামরুজ্জামান এর সহিত শাপলার বিবাহ হয়। বিবাহের কিছুদিন সুখ শান্তি হলেও অযৌক্তিকভাবে গৃহবধু শাপলার উপর নেমে আসে অমানবিক নির্যাতন। মেয়ের নির্যাতনের কথা গোপনে জামাই কামরুজ্জামান ও তার অভিভাবকে জানিয়ে আসছিলো শাপলার বাবা সমাজসেবক শাহাব উদ্দিন।
সত্য প্রসঙ্গে বলতে হয় শাহাব উদ্দিন একজন অত্র গ্রামের সুপরিচিত মুখ। সমাজে এবং আত্নীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশীর কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটলে তাকে সেই সব ছোটখাট অসামাজিক পারিবারিক ঘটনাগুলো নিস্পত্তি করতে হয়। বড়ই পরিতাপের বিষয় নিজের মেয়ের অশান্তির ছোয়া যখন তার কানে আসে তখন নিজেকে ছোট হয়ে থাকতে হয় সমাজের মধ্যে।
অবিশ্বস্য হলেও সত্য যে মেয়ের নির্যাতনের বিষয় দীর্ঘদিন ধরে শাপলা তার সুযোগ্য বাবাকে বলে আসছিলো কিন্তু বাবা সমাজিকভাবে মানবসমাজে চলাফেরার ফলে মেয়ের নির্যাতন শুধু বুকে বেধেই রেখেছিলো। কাউকে বলতোনা তার মেয়ে অশান্তিতে তথা জামাতা কামরুল কর্তৃক নির্যাতনের শিকার তার মেয়ে শাপলা।
পরিশেষে মেয়ে শিমুল আক্তারকে বাদীনি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সহ অন্যান্য অপরাধের ধারা আনায়ন করে গত ২৯/১০/২০১৫ তারিখে মামলা দায়ের করেন। অসহায় বিচারপ্রার্থী গৃহবধু শাপলার দায়েরকৃত মামলাটি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয় এর জন্য মামলার বাদীনি শাপলা বেগম ও তার পিতা সমাজসেবক সাহাব উদ্দিন মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার এসআই বেলালের শুভ নেকদৃষ্টি কামনা করেন।
