২৩ অক্টোবর ২০১৫

পীরগাছার অধিকাংশ মাদরাসা সমূহে অপ্রিতিকর ঘটনা


আর এসব ঘটনায় লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে শিক্ষা কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি । কোন শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘারে চাপানোর মত ভয়ভীতি দেখিয়ে চাকরী যাবে এই হুমকি প্রদান করে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা উপার্জন করে থাকেন স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা সহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এইতো আমাদের পীরগাছা উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হালচাল।

পীরগাছার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি প্রতিষ্ঠান সৈয়দপুর কারামতিয়া ফাজিল মাদরাসায় গত ১৯ শে অক্টোবর পরীক্ষা চলাকালীন কর্তব্যরত শরীরর চর্চা বিষয়ের শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর (নাম প্রকাশ করা হলো না) শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানী করতে থাকে। এ উপলক্ষে গত ২১ শে অক্টোবর মাদরাসার অভিভাবক সচেতন জনগন তথা আফতাব মেম্বার, ফারুখ হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলী খলিফা, জয়নাল আবেদিন, আবু তাহের সহ অভিভাবকদের নেতৃত্বে এক বিক্ষভ মিছিল বের করেন। বিষয়টিকে ঘিরে অত্র মাদরাসায় প্রত্যেকটিরুমে তালা দিয়েছে স্থানীয় জনগন। মাদরাসার সুনাম অখুন্ন রাখতে টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাপাচা দেয়ার জন্য ভিকটিমের পরিবার সহ অন্যান্য টাকাখোর শিক্ষক ও রাজনৈতিক নেতৃবিন্দ জোড়ালো প্রচেষ্টা চালচ্ছে।

আজ ২৩ শে অক্টোবর শুক্রবার কিসামত ঝিনিয়া দাখিল মাদরাসার ক্বারী শিক্ষক ৮ বছর ধরে অনুপস্থিত। রহস্যজনক কারনে মাদরাসায় পুনরায় শিক্ষকতা করতে আসে। উক্ত ক্বারী শিক্ষক মাদরাসা প্রাঙ্গনে আসাকে কেন্দ্র করে মাদরাসার সুপার মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক, মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল হান্নান বনাম গ্রামবাসীদের মধ্যে যে কোন মুহুর্তে অপ্রীতিরক ঘটনার আশংকা। আজ শুক্রবার উক্ত শিক্ষক নেপথ্য কাহিনিকে কেন্দ্র করে মাদরাসা প্রঙ্গনে বনতাজ ব্যপারী আহবানে এক বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন বৈঠক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নাও হতে পারে।

ইতিপূর্বে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী কেলেঙ্কারীর ঘটনায় পীরগাছা থানায় কমপক্ষে ১০ টি নারী শিশু মামলা রুজু করা হয়েছিলো। গোপাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কেলেঙ্কারী। অবশেষে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে থানায় মামলা। অসহায় শিক্ষকের এ জাবত অর্থদন্ড হয়েছে কম পক্ষে ২ লক্ষ টাকা। গোপাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টির উক্ত শিক্ষক এ যাবত ভোগান্তীর শিকার। পরিশেষে মামলাগুলো সামাজিকভাবে বৈঠকের মাধ্যমে ১ লক্ষ হতে দের লক্ষ টাকা রফাদফা হবার পর মিমাংশা করা হয়।

চৌধুরাণী ফাতেহিয়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রিন্সিপালকে যেতে হয়েছে জেল হাজতে। গোটা পীরগাছা উপজেলায় কোন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শান্তির শিক্ষার পরিবেশ নেই বললেই চলে। সৈয়দপুর কারামতিয়া ফাজিল মাদরাসার নেপথ্য ঘটনার সত্য ঘটনা অবলম্বনে ভিকটিম যদি তার সত্যকে ধামাচাপা দেয় তাহলে শিক্ষক নির্দোষ হবে। শুধু মাদরাসার শুনাম অখুন্ন রাখতে হবে ইহাই মনে করেন অত্র এলাকার নামেমাত্র জ্ঞানী গুনী মানুষগুলো।

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিতে ফেসবুকে যোগাযোগ করুন