২২ অক্টোবর ২০১৫

পীরগাছায় চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যদের সহযোগীতায় ১১ বছরের মেয়ের বাল্যবিবাহ


গত ২১ শে অক্টোবর পীরগাছা উপজেলার মন্তার বাজার সংলগ্ন ১১ বছরের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীরকে দিয়ে সপ্তম শ্রেণীর ১৩ বছরের বরের সহিত বাল্য বিবাহ সম্পন্ন হয়। এ বাল্য বিবাহে অংশ নেয় পীরগাছার চেয়ারম্যান, মেম্বার ও পুলিশিং কমিটির লোকজন সহ অন্যান্য প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতৃ বিন্দ।

 ওরা আইন জানে, কিন্তু আইন মানে না। বিাবাহের দিন সাংবাদিক খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে গেট প্যান্ডেল সব সরিয়ে ফেলে মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে। অতঃপর সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত হলে সেখানকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতৃবিন্দ ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্য সাংবাদিককে হুমকি দেয়। তারা হুমকি দিয়ে বলে যে, এটা আমার ওয়ার্ড। এখানে আমার অনুমতি ছাড়া কোন সাংবাদিক আসতে পারে না।

ঘটনাটির মূল হোতা হচ্ছে ঘটক। সে মাত্র ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে নিরঅপরাধ দুজন অবুঝ ছেলে মেয়ের জীবন নষ্ট করলো। ঘটকের মাধ্যমে আচলনা সাপেক্ষে দুলালীর বিয়ের আয়োজন পারুলের জনৈক পুলিশিং কমিটির এক নেতার বাড়ি তথা গুঞ্চরখা দুলালীর শ্বশুর বাড়ি।

দুলালী যেহেতু পি এস সি পরীক্ষা দেবে এটাই যথেষ্ট, বেশি লেখাপড়া করে লাভ কি এই মন্তব্য অভিভাবকদের। তাই ১১ বছর বয়েসেই দুলালিকে বধু হতে হলো।

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিতে ফেসবুকে যোগাযোগ করুন